ডাক্তারি পড়া বন্ধ অর্থের অভাবে

আর্থিক অনটনের কারণে চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার মেধাবী ছাত্র মিজানের ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন ভেস্তে যেতে বসেছে। উপজেলার পূর্ব কাটগড় গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত বিজিবি সুবেদার মুহাম্মদ লিয়াকত আলীর ২ ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে একেএম মিজানুর রহমান সবার বড়। তার ছোট ভাই চট্টগ্রাম ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার প্রকৌশল বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র। ২০০৪ সালে এসএসসি পাস করে চট্টগ্রাম শহরের শহীদ এন. এম. এম. জে কলেজে ভর্তি হয় মিজান। সেখান থেকে এইচএসসি পাস করে সে চীনের নানচাং মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ডাক্তারিতে ভর্তি হয়। এরপর কোন রকমে এমবিবিএস প্রথমবর্ষ শেষ করে। ইতিমধ্যে বাবা লিয়াকত আলী পেনশনের টাকা দিয়ে একটি গরুর খামার গড়ে তোলেন। কিন্তু দু’ছেলের লেখাপড়ার খরচ চালাতে গিয়ে খামারের সব গরু বিক্রি করে দিয়ে এখন অনেকটাই নিঃস্ব। ফলে লেখাপড়ার খরচ চালানো মিজানের বাবার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। মিজান ছুটিতে এসে আর চীনে যেতে পারছে না। তাই মিজানের চিকিত্সক হওয়ার স্বপ্ন কি স্বপ্নই থেকে যাবে।