তোমাদের জন্য লেখা
ক্ষুদিরামের কথা
প্রকাশ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ১৯:৪১
ক্ষুদিরামের কথা একখানি জীবনী গ্রন্থ। গ্রন্থখানি লিখেছেন সুপরিচিত লেখক শাহ বুলবুল। গ্রন্থটি ছোটো-বড়ো সকলেই পড়ে ক্ষুদিরামের কথা জানতে পারবেন।
শহীদ ক্ষুদিরাম উপমহাদেশের স্বাধীনতাকামী মানুষের কাছে একজন অগ্নিবীর হিসেবে খ্যাত। ১৮ বছর বয়সী এই কিশোরের জীবনদানের কথা কে না জানে? এক কথায় ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের এই বিপ্লবী ক্ষুদিরাম ফাঁসিতে প্রাণবিসর্জন করে আজো অমর হয়ে আছেন। ক্ষুদিরামের পুরোনাম ক্ষুদিরাম বসু ১৮৮৯ খ্রিষ্টাব্দের ৩ ডিসেম্বর ক্ষুদিরাম মেদিনীপুর জেলার কেশবপুর থানাধীন মোহবান গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবার নাম ত্রৈলোক্যনাথ বসু। শৈশবে বড়ো হন দিদি অপরূপার কাছে। এ সময় গিরিশ মুখার্জির পাঠশালায় পড়াশানা করেন। পরে ভর্তি হন মেদিনীপুর কলেজিয়েট স্কুলে। ক্ষুদিরামের লড়াকু জীবন শুরু হয় হেমচন্দ্রের কাছে। ১৯০৮ সালে তিনি এবং তার সহযোগী প্রফুল্ল চাকী কিংসকোর্ডকে মারার জন্য গাড়িতে বোমা নিক্ষেপ করেন। গাড়িতে কিংস ছিলেন না। অন্য আরোহীরা মারা যান। এক পর্যায়ে তারা দুজন ধৃত হন। তবে ধরা পড়ার আগে প্রফুল্লচাকী নিজের পিস্তল দিয়ে আত্মহত্যা করেন। ইংরেজ মারার অপরাধে ক্ষুদিরামের ফাঁসি হয়। ক্ষুদিরামের ফাঁসি কার্যকর করা হয় ১৯০৮ সালের ১১ই আগস্ট।
শহীদ ক্ষুদিরামের এই আত্মত্যাগের কাহিনী আলোচ্য বইটিতে সহজ-সরল ভাষায় বর্ণনা হয়েছে। ক্ষুদিরামের সাহসী কর্মকাণ্ড শোষিতের অসীম প্রেরণা জোগায়। লেখক শাহ বুলবুল নিরলস পরিশ্রম করে এবং নির্ভুল তথ্য সংযোজন করে গ্রন্থটি প্রণয়ন করেছেন। এই বইটি সংকলন করা হয়েছে পীতাম্বর দাশের লেখা ক্ষুদিরামকে নিয়ে রচিত সেই অমর গানটি - ‘একবার বিদায় দে মা ঘুরে আসি’। গ্রন্থটিতে আরো রয়েছে ক্ষুদিরামের দুষ্প্রাপ্য এবং ঐতিহাসিক কিছু ছবি। বইটির প্রচ্ছদ অপূর্ব, এঁকেছেন লেখক নিজে। এটি প্রকাশিত হয়েছে ৪৫/১-এ পুরানা পল্টন্থ অনার্য প্রকাশনী থেকে। মূল্য একশত টাকা। বইটি সবার কাছে আদৃত হবে।