চান্দিনায় আট পরিবারের দোকান ও বসতঘর ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ
চান্দিনা ও বুড়িচং (কুমিল্লা) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২১:৫২
কুমিল্লার চান্দিনায় ডাকাতির অভিযোগ এনে আট পরিবারের ৩টি দোকানসহ ১৪টি বসতঘরে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে গ্রামবাসী। রবিবার রাতে উপজেলার কাশিমপুর ও বাতাবাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর গ্রাম ছাড়া ওই আটটি পরিবার।
গত ২৯ আগস্ট কাশিমপুর গ্রামে লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের জের ধরে ওই গ্রামের প্রভাবশালী একটি মহলের প্রভাবে প্রায় শতাধিক লোক এ ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। এতে কাশিমপুর গ্রামের মতিন মেম্বারের ২টি বসতঘর, সাদেক হোসেনের ১টি বসতঘর, ওয়াসিমের ১টি বসতঘর, কাশেমের ২টি বসতঘর, রফিক মিয়ার ২টি বসতঘর, সেলিমের ১টি বসতঘর, জসিমের একটি বসতঘর ভাংচুর এবং ইসমাইল মেম্বারের কাশিমপুর গ্রামের ১টি ঘর ভাংচুর ও বাতাবাড়িয়া গ্রামের একটি বসতঘর পুড়িয়ে দেয়। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা জানান,‘ওই গ্রামের মেম্বার মহিউদ্দিনের নেতৃত্বে গ্রামের প্রায় শতাধিক মানুষ রবিবার রাতে এ হামলা ও ভাংচুর শুরু করে। এতে প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়। বাতাবাড়িয়া গ্রামের ইসমাইল মেম্বারের স্ত্রী ঝর্ণা আক্তার জানান, রবিবার রাত ১২টার দিকে প্রায় ৩০-৩৫ জন গ্রামবাসী বসতবাড়ি, রান্না ঘর ও বাড়ির সকল আসবাবপত্রে অগ্নিসংযোগ করে পুড়িয়ে দেয়।
এদিকে কাশিমপুর গ্রামবাসীর সাথে আলাপকালে তারা ক্ষুব্ধ হয়ে জানান, ‘দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছরেরও বেশি সময় যাবত্ রহিমানগর সড়কসহ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে এবং নিজ এলাকাসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ডাকাতি ও লুটতরাজ চালিয়ে আসছে এই পরিবারটি’।