পরীক্ষার ফরম পূরণে অতিরিক্ত ফি আদায়
প্রকাশ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২১:৫৬
দেশের বিভিন্ন স্থানে জেএসসি, জেডিসি এবং ডিগ্রি পর্যায়ে বোর্ড নির্ধারিত ফির বাইরে বিভিন্ন খাত দেখিয়ে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় বিভিন্ন জায়গায় ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
পূর্বধলা(নেত্রকোনা)
নেত্রকোনার পূর্বধলায় জেএসসি পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণে বোর্ডের নির্দেশ অমান্য করে উপজেলা সদরের জগত্মনি পাইলট, পূর্বধলা বালিকা, হিরণপুর, জালশুকা কুমুদগঞ্জ, আগিয়া, শালথী, বাদেপুটিকা, পাটরা-দামপাড়া, নারায়ণডহর, ঘাগড়া দ্বিমুখী, এন জারিয়া-ঝানজাইল উচ্চ বিদ্যালয়, পূর্বধলা হোছাইনিয়া ফাজিল মাদ্রাসা ও বিদ্যালয়গুলোর প্রধান তিন থেকে চার গুণ টাকা আদায় করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ভাবে উপজেলার ৫৩টি প্রতিষ্ঠানে এ অতিরিক্ত ফি আদায় করছে। অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। প্রধান শিক্ষকরা জানান, স্কুলে ল্যাপটপ ক্রয়, বেতন ও আনুষঙ্গিক খরচ বাবদ ফরম পূরণের সাথে অতিরিক্ত সামান্য কিছু টাকা আদায় করা হচ্ছে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শফিকুল বারী জানান, অতিরিক্ত ফি আদায়ের বিষয়টি একান্তই বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বা বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির অতিরিক্ত ফি আদায়ের কোনো সুযোগ নেই।
সিরাজগঞ্জ
সিরাজগঞ্জে জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষার ফরম পূরণে সালেহা ইসহাক সরকারি বিদ্যালয়, বিএল সরকারি, গৌরি আরবান বালিকা, এসবি রেলওয়ে কলোনী, জাহানারা, হাজী আহমেদ আলী, সবুজ কানন, ভাটপিয়ারী, চরখোশাবাড়ী, রহমতগঞ্জ বালিকা, শমেসপুর উচ্চ বিদ্যালয়, চর ছোনগাছা ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসা, খাতুনে জান্নাত মহিলা দাখিল মাদ্রাসা প্রধানদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষকরা বলেন, একাধিকবার বোর্ডে যাতায়াতসহ কম্পিউটার, অনলাইনে ফরম পূরণ করতে হয়, কোচিং ও উন্নয়নসহ বিবিধ খরচ থাকায় অতিরিক্ত অর্থ নিতে হচ্ছে।
মতলব উত্তর (চাঁদপুর)
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরিপত্র জাল করে জেএসসি ও ৯ম শ্রেণির বকেয়া রেজিস্ট্রেশন ফি বাবদ অতিরিক্ত টাকা আদায় করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিভাবকরা প্রধান শিক্ষক এবং অফিস সহকারীর বিরুদ্ধে ইউএনও’র কাছে অভিযোগপত্র দাখিল করেছেন। প্রধান শিক্ষক জানান, আদায়কৃত অতিরিক্ত অর্থ শিক্ষার্থীদের ফেরত দেয়া হবে। অফিস সহকারী জানায়, আমি কর্তৃপক্ষের নির্দেশ মোতাবেক কাজ করেছি। মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।