বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে বাগদা চিংড়ি
শেখ আব্দুল হাকিম, শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ১৯:৪৭
সাতক্ষীরা শ্যামনগরে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে গলদা ও বাগদা চিংড়ি উঠেল্লখযোগ্য। আর দেশের সর্ববৃহত্ এবং সর্ব দক্ষিণ-পশ্চিমের উপকূলীয় শ্যামনগর উপজেলা বাগদা চিংড়ি চাষের জন্য বিখ্যাত। এ উপজেলায় ১৭৪০৭.০ হেক্টর জমিতে ১৩৭০১টি ঘেরে বাগদা চিংড়ি চাষ হয়। গত ২০১১- সালে বাগদা চিংড়ি উত্পাদন-৩৭৮৯ মেঃ টন বাগদা চিংড়ি ঘেরে সাদা মাছ উত্পাদন-৫৬০০ মেঃটন যার মূল্য ৪৫০ কোটি টাকা। ২০১২ সালে বাগদা চিংড়ি উত্পাদন-৫৫০০ মেঃ টন চিংড়ি ঘেরে সাদা মাছ উত্পাদন -৬৪০০ মেঃ টন যার মূল্য ৫শত কোটি ২৫ লাখ টাকা। ২০১৩ সালে উত্পাদন লক্ষ্যমাত্রা- বাগদা চিংড়ি- ৫৮০ মেঃ টন, সাদা মাছ- ৭০০০মেঃ টন, যার আনুমানিক মূল্য ৬শত কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা অর্িজত হয়েছে।
বাগদা চিংড়ি চাষিগণ তাদের ঘেরের চারিপার্শ্বে ২ফুট গভীর ক্যানেল তৈরি করে পানির গভীরতা ৩ফুট বজায় রাখছেন। চাষিগণ তাদের ঘেরে হাপা স্থাপন করে লবণাক্ততা সামঞ্জস্য করে পোনার পরিবহন জনিত পীড়ন দূর করার জন্য অসমোস্যালাইন ব্যবহার করেছেন। পোনা মজুদের পরে ১২-১৫দিন পর্যন্ত প্রতি হাজার পোনার জন্য প্রতিবার ২.৫ গ্রাম হারে নার্সিং খাবার প্রত্যহ ভোর ৬টায়, বেলা ২টায়, সন্ধ্যা ৭টায় এবং রাত্র ১০টায় প্রয়োগ করে এবং অক্সিজেন স্বল্পতা রোধে প্রত্যহ ভোর ৪টায় ১০হাজার পোনার জন্য ৩-৪টি অক্সিজেন ট্যাবলেট প্রয়োগ করে পোনার মজুদকালীন মৃত্যুহার রোধ করছেন।