ক্যাটেকে পড়ছে বিদেশি শিক্ষার্থী
প্রকাশ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২১:২৩
একটা সময় ছিল আমাদের দেশের শিক্ষার্থীরা উচ্চ শিক্ষার জন্য বিদেশে পাড়ি দিত, এখন আর সেই সময় নেই। এখন বিদেশি শিক্ষার্থীরা আমাদের দেশে পড়াশোনা জন্য আসছে। এমনই কিছু শিক্ষার্থীর মধ্যে রয়েছে সুইজারল্যান্ডের রুরিন ফ্লিক্স, জার্মানির আর্নে মালশারোউইত্স, নরওয়ের বার্ড ওয়ালেনটিনসেন। এরা পড়তে এসেছে বাংলাদেশে। গত ২৮ আগস্ট তারা উত্তরা কলেজ অব এভিয়েশন টেকনোলোজি (ক্যাটেক) থেকে অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ওপর র্সাটিফিকেট গ্রহণ করেন। বাংলাদেশের শিক্ষার্থী-সহপাঠীদের সহযোগিতায় তারা মুগ্ধ। নরওয়েজিয়ান ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির শিক্ষার্থী বার্ডের মতে, এখানকার শিক্ষার্থীরা, যারা আমাদের বন্ধু হয়ে উঠেছে তাদের সাহায্য সহযোগিতায় বাংলাদেশ সম্পর্কে আমাদের ধারণা পাল্টে গেছে। সত্যি দারুণ সহযোগী তারা। রুরিন আর্নে ও বার্ডের কাছে বাংলাদেশ এখন পছন্দের জায়গায় পরিণত হয়েছে। জুরিখ ইউনিভার্সিটি অব অ্যাপ্লায়েড সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রুবিন আগে বাংলাদেশ সর্ম্পকে খুব একটা জানতেন না। যতটুকু জানতেন, তাও ইন্টারনেট ঘেটে। বাংলাদেশে এসে রুবিনের ধারণা পাল্টে গেছে। রুবিন বলেন, ‘যখন জানতে পারলাম আমি পড়তে যাচ্ছি বাংলাদেশে, তখন একটু দুচিন্তাও হচ্ছিল। কিন্তু এখানে এসে আমাদের ধারণা পাল্টে গেছে। এখানকার মানুষ বেশ সহযোগী।’ ০১৯৩৭১৮২৪৭০, ৮৯৯১৩৭১, ০১৯২৬৯৬৩৬৫৫ নম্বরে ফোন করে ক্যাটেকের পড়ালেখা সম্পর্কে আরও তথ্য জেনে নেওয়া যাবে।
বাংলাদেশে পড়তে আসা নিয়ে দুশ্চিন্তা ছিল আর্নেরও। তবে তা দূর হতে সময় লাগেনি। তিনি বলেন, ‘এখন বেশ ভালো আছি। ক্লাস আর ল্যাব, ল্যাব আর ক্লাস। তাছাড়া এখানে উড়োজাহাজেই ব্যবহারিক ক্লাস করার সুযোগ পাচ্ছি।’ তাদের সাথে কথা বলে জানা গেল, এডুকেশনাল এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ পড়তে এসেছে এই তিন শিক্ষার্থী। শুধু তাই নয়, কাজও করছেন টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে। রুবিনের ভাষ্য অনুযায়ী, ‘এতে যেমন আছে শেখার সুযোগ, তেমনি আছে শেখানোর। আমরা আশা করছি পড়াশোনা বিষয়ে অনেক অভিজ্ঞতা শেয়ার হবে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে।’
যোগাযোগ :ক্যাটেক, বাড়ি-১৪, রোড-২, সেক্টর-১১, উত্তরা, ঢাকা।