৫৬ স্টিভিডোরিংকে পণ্য হ্যান্ডলিংয়ের সুযোগ দিন

চট্টগ্রাম বন্দরকে সবচেয়ে ব্যয়বহুল বন্দর করার যে কোন কারসাজি বন্দর ব্যবহারকারীরা হতে দেবে না। বন্দরে পণ্য উঠা-নামার ক্ষেত্রে যেকোন অতিরিক্ত চার্জ আরোপের মাধ্যমে দেশের জনগণের ওপর তা চাপানো যাবে না। গুটিকয়েক ব্যবসায়ীর স্বার্থে চট্টগ্রাম বন্দর ও নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির স্বার্থান্বেষী মহল বিশেষের চাপিয়ে দেয়া সিদ্ধান্ত মেনে নেয়া যায় না। এতে সরকার তথা জনগণ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সোমবার চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্তরের ব্যবসায়ী ও বন্দর ব্যবহারকারী সংস্থাসমূহের প্রতিনিধিদের এক গোলটেবিল বৈঠকে বিভিন্ন আলোচক বক্তব্য রাখেন। ‘বন্দরের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও স্বচ্ছতাই দেশের অগ্রসরমান আমদানি রপ্তানি বাণিজ্য অনেকাংশে নির্ভরশীল’ শীর্ষক উক্ত গোলটেবিল বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মাহবুবুল আলম। বৈঠকে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম চেম্বারের সাবেক সভাপতি ও চট্টগ্রাম বন্দর এলাকার সংসদ সদস্য এমএ লতিফ, চট্টগ্রাম চেম্বারের সহ-সভাপতি সৈয়দ জামাল আহমেদ, বিজিএমইএ’র প্রথম সহ-সভাপতি নাসির উদ্দিন আহমদ, পরিচালক মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী, মাহফুজুল হক শাহ, মো. অহীদ সিরাজ চৌধুরী স্বপন ছৈয়দ ছগীর আহমেদ প্রমুখ। বৈঠকে বক্তাগণ বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের অনুমোদিত ৫৬টি স্টিভিডোরিং প্রতিষ্ঠানকে বন্দরের কন্টেইনার হ্যান্ডলিং ও কার্গো হ্যান্ডলিং-এ অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে। কারণ বর্তমানে স্বার্থান্বেষী মহলের কারণে মাত্র ১২টি প্রতিষ্ঠানকে এ সুযোগ দিয়ে প্রতিবছর ২ কোটি টাকার কার্গো হ্যান্ডলিং কাজ ১৯ কোটি টাকায় দেয়া হচ্ছে। ১২ কোটি টাকার কন্টেইনার হ্যান্ডলিং কাজ ২০ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। এতে করে এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে তিন বছরে বন্দর প্রায় দেড়শত কোটি টাকা ১২টি বার্থ অপারেটর প্রতিষ্ঠানকে দিতে হবে। অথচ অন্য সকল স্টিভিডোরিং কোম্পানিকে অংশগ্রহণ করতে পারলে খরচ অন্তত তিনভাগের একভাগে নেমে আসবে।