বছরভিত্তিক হিসাবে মূল্যস্ফীতি কমেছে

আগস্টে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার ছিল সাত দশমিক ৩৯ শতাংশ। জুলাই মাসে এ হার ছিলো সাত দশমিক ৮৫ ভাগ। পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট হিসেবে গত বছরের তুলনায় মূল্যস্ফীতি কমেছে। তবে মাস ভিত্তিক হিসাবে জুলাইয়ের তুলনায় আগস্টে খাদ্য পণ্যে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে দুই দশমিক শূন্য ৮ ভাগ। অন্যদিকে খাদ্য বহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে শূন্য দশমিক ৪৪ ভাগ। বৃহস্পতিবার বিবিএস ভবনে মূল্যস্ফীতি নিয়ে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। বিবিএস মহাপরিচালক গোলাম মোস্তফা কামাল জানান, চাল, আটা, মাছ, ডিম, শাক-সবজি, মশলা ও দুধসহ বিবিধ খাদ্য সামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধির কারণে জুলাইয়ের তুলনায় আগস্টে খাদ্য পণ্যে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। তবে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার বছর ভিত্তিক হিসেবে কিছুটা কমেছে। মহাপরিচালক আরো জানান, আগস্টে খাদ্য পণ্যে মূল্যস্ফীতির হার ছিল আট দশমিক ০৯ শতাংশ যা জুলাইয়ে ছিল ৮ দশমিক ১৪ শতাংশ। অন্যদিকে খাদ্য বহির্ভূত পণ্যে আগস্টে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৬ দশমিক ৩৫ ভাগ যা জুলাইয়ে ছিলো ৭ দশমিক ৪০ ভাগ। প্রাপ্ত তথ্যে আরো দেখা যায়, আগস্ট মাসে গ্রামীণ পর্যায়ে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৯০ ভাগ যা জুলাই মাসে ছিলো সাত দশমিক ৪৩ ভাগ। খাদ্য ও খাদ্য বহির্ভূত উপ খাতে গ্রামীণ পর্যায়ে মূল্যস্ফীতির হার ছিলো যথাক্রমে সাত দশমিক ৫০ ও পাঁচ দশমিক ৮৩ ভাগ। অন্যদিকে শহর পর্যায়ে আগস্টে সার্বিক মূল্যস্ফীতি হয়েছে আট দশমিক ৩৪ ভাগ। যা জুলাই মাসে ছিলো ৮ দশমিক ৬৮ ভাগ। শহর পর্যায়ে খাদ্য ও খাদ্য বহির্ভূত উপ খাতে মূল্যস্ফীতি হয়েছে যথাক্রমে ৯ দশমিক ৫২ ও ৭ দশমিক ০৮ ভাগ।