প্রথমদিন সৌদি গেলেন ১২৪৯ হজ্বযাত্রী
প্রকাশ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২১:৩০
গতকাল শনিবার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স তিনটি ফ্লাইটে এক হাজার ২৪৯ জন হজ্বযাত্রীকে সৌদি আরবে পৌঁছে দিয়েছে। আজ রবিবার থেকে শুরু হবে সৌদি এয়ারলাইন্স ও সৌদি আরবের বেসরকারি বিমান সংস্থা নাস এয়ারওয়েজের হজ্ব ফ্লাইট।
বিমানের উদ্বোধনী ফ্লাইট ৪১৯ জন হজ্বযাত্রীকে নিয়ে বেলা একটা ৪০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর ত্যাগ করে। বিমান বন্দরে প্রথম ফ্লাইট উদ্বোধন করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী কর্ণেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান। বিমান মন্ত্রীর সাথে ছিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. শাহজাহান মিয়া। এছাড়াও ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও হজ্ব অফিসের পরিচালক বজলুল হকসহ অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
বিমান বন্দর সূত্র জানায়, বিমান মন্ত্রী ও ধর্ম প্রতিমন্ত্রী উড়োজাহাজে গিয়ে হজ্বযাত্রীদের খোঁজ-খবর নেন এবং কুশল বিনিময় করেন। এদিকে হজ্বযাত্রী পরিবহনের ব্যাপারে বিমান বন্দরেই সিভিল এভিয়েশন অথরিটির সাথে বিমান এয়ারলাইন্সের বৈঠক হয়েছে। আর এ বৈঠকে হজ্ব অফিসের পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বিমানের ভাড়া করা কাবো উড়োজাহাজ গত শুক্রবার নির্ধারিত সময়েই হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে পৌঁছেছে। তবে গতকাল থেকে কাবো হজ্ব যাত্রী পরিবহন শুরু করেনি। সূত্র আরও জানায়, বৈঠকে বিমানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কিছু আনুষ্ঠানিকতা শেষ করতে সময় লাগছে বলে কাবো উদ্বোধনী ফ্লাইট পরিচালনা করেনি। দু’একদিনের মধ্যে আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হলে কাবো ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করবে। ফলে শুরু থেকে দু’টি ফ্লাইটে ৫৮০ জনের স্থলে ৬১ জন করে কম হজ্বযাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে। কাবো’র ফ্লাইট শুরু হলে কয়েকদিনের মধ্যেই হজ্বযাত্রী পরিবহনের বিষয়টি সমন্বয় হয়ে যাবে।
হজ্ব অফিসের পরিচালক বজলুল হক বিশ্বাস গতকাল ইত্তেফাককে বলেন, সৌদি এয়ারলাইন্স ও সৌদি আরবের বেসরকারি বিমান সংস্থা নাস এয়ারওয়েজের হজ্ব ফ্লাইট আজ রবিবার থেকে শুরু হবে। সৌদিয়া ও নাস ফ্লাইটের হজ্বযাত্রীদের ইমিগ্রেশনের কাজ বিমান বন্দরে সম্পন্ন হবে। আর এজন্য বিমান বন্দর ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ শুধু হজ্বযাত্রীদের সুবিধার্থে ইমিগ্রেশনের পৃথক একটি ডেস্ক চালু করেছে। এদিকে সৌদিয়া ও নাস এয়ারওয়েজের হজ্ব ফ্লাইটের হজ্বযাত্রীরা গতকাল দুপুরের পর থেকে আশকোনা হজ্ব ক্যাম্পে রিপোর্ট করা শুরু করেছেন। ফলে ক্যাম্প হজ্বযাত্রীতে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গেছে। অর্থাত্ গতকাল থেকেই হজ্ব ক্যাম্পে হজ্বযাত্রী যাওয়া-আসা শুরু হয়েছে। হজ্ব ক্যাম্পে বর্তমানে মুখরিত অবস্থার অবসান ঘটবে আগামী ৮ অক্টোবর শেষ হজ্ব ফ্লাইটের মধ্যদিয়ে।