ইন্টারনেটের নিরাপত্তা ভেঙ্গেও নজরদারি যুক্তরাষ্ট্র যুক্তরাজ্যের
প্রকাশ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২১:৪০
যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টারনেটের শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যবস্থা ‘এনক্রিপশন’ কোড ভেঙে ইমেইল, ব্যাংকিং ডাটা এবং হাজার হাজার মানুষের চিকিত্সা সংক্রান্ত নথির ওপর নজরদারি চালিয়েছে।
সাবেক সিআইএ কর্মকর্তা এডওয়ার্ড স্নোডেনের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে যুক্তরাজ্যের দ্য গার্ডিয়ান ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্য নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকা এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।— খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।
গুগল, ফেইসবুক, টুইটার ও ইউটিউবের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ওপর মার্কিন জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনএসএ নজরদারি করেছে বলে সামপ্রতিক খরবে বিশ্বব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি হয়। এরই মধ্যে আবার নতুন করে অনলাইনের সিকিউরিটি প্রটোকল ভেঙে যুক্তরাষ্ট্রের এনএসএ এবং যুক্তরাজ্যের জিসিএইচকিউ গোয়েন্দা সংস্থার নজরদারির এ অভিযোগ পাওয়া গেল স্নোডেনেরই ফাঁস করা নথিতে। গোয়েন্দারা ফোরজি স্মার্টফোন, ইমেইল, অনলাইন সোপিং এবং গুগল, ফেইসবুক, ইয়াহুতে ব্যবহূত বিশেষ নিরাপত্তা পদ্ধতি বা এনক্রিপশনের ওপরেই বেশি নজর দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের এ গোপন নজরদারি কর্মসূচির নাম দেয়া হয় বুলরান। আর যুক্তরাজ্যের এ ধরনের কর্মসূচির নাম দেয়া হয় এগহিল।
বুলরান কর্মসূচির আওতায় এনএসএ একটি শক্তিশালী কম্পিউটার তৈরি করে। এরপর গ্রাহকরা যখন নিজেদের গোপন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে তাদের নিজস্ব সাইটে ঢুকতে যায় তখন এর সাহায্যে তাদের গোপন নম্বরগুলো চিহ্নত করে ফেলা হয়। তাছাড়া উদ্দেশ্য হাসিলে এধরনের আরো কয়েকটি জটিল পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়ে থাকে বলে জানিয়েছে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস।‘জনস্বার্থ পরিপন্থী’ কিন্তু রাষ্ট্রের জন্য চরম গোপনীয় এসব তথ্য প্রকাশের পর স্নোডেন দেশ ছেড়ে এখন রাশিয়ার মাটিতে আশ্রয়ে আছেন। নিজের বিবেকবোধ থেকে সরকারের এ ধরনের প্রশ্নবিদ্ধ কাজের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন বলে স্নোডেন গণমাধ্যমকে বলেছেন। তবে সাম্প্রতিক খবরে বলা হয়, কিছু ইন্টারনেট কোম্পানি ওই দুই দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে নজরদারির জন্য বেক ডোর (বিশেষ সুযোগ) করে দিয়েছে। এধরনের অতিগোপনীয় কাজ চালিয়ে নিতে এনএসএ-কে ২৫০ মিলিয়ন ডলার খরচ করতে হয়েছে।