প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা প্রস্তুতির নমুনা প্রশ্ন : বাংলা
স্মৃতিশ সানা, সহকারি শিক্ষক, এস ও এস হারম্যান মেইনার কলেজ,ঢাকা
প্রকাশ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ১৯:৪৬
সময়: ২.৩০ঘণ্টা পূর্ণমান:১০০
(দ্রষ্টব্য: ডানপাশে উল্লেখিত সংখ্যা প্রশ্নের পূর্ণমান জ্ঞাপক)
প্রদত্ত অনুচ্ছেদ পড়ে ১, ২, ৩ এবং ৪ ক্রমিক প্রশ্নের উত্তর দাও।
বর্তমানে পৃথিবীর বৃহত্তম জলপ্রপাতের নাম নায়াগ্রা জলপ্রপাত। নায়গ্রা জলপ্রপাত আমেরিকা-কানাডার মাঝে অবস্থিত। জলপ্রপাত সাধারণত পাহাড় বেয়ে নেমে আসে। কিন্তু এ জলপ্রপাত সেরকম কিছু নয়। সমতলের উপর খরস্রোতা নদী। যে মাটির উপর দিয়ে এই খরস্রোতা নদী প্রবাহিত হচ্ছে সেখানে হঠাত্ করেই এক বিশাল ফাটল। দুদিকের মাটির মধ্যে এক মস্ত বড় ফাঁকা। একটা নদী যতখানি চওড়া হয় ততখানি ফাঁক। নায়াগ্রার জল ঐ ফাঁকের ভিতরে চলে যাচ্ছে। প্রতিবছর লাখ লাখ পর্যটক এই নায়াগ্রা দেখতে যায়। বিশ্বের প্রায় সব দেশের লোক এখানে ছুটে আসে। এ এক বিস্ময়কর দৃশ্য। নায়াগ্রার পাশে দাঁড়ালে বোঝা যায় তার সৌন্দর্য। এটি নিঃসন্দেহে সৃষ্টিকর্তার এক বিস্ময়কর সৃষ্টি।
১।সঠিক উত্তরটি উত্তরপত্রে লেখো:
১×৫ = ৫
i. নায়াগ্রা কী?
ক. নদী খ. জলপ্রপাত গ. পাহাড় ঘ. হ্রদ
ii. জলের ধর্ম —
ক. গড়িয়ে যাওয়া খ. স্থির থাকা
গ. ঘুরে যাওয়া ঘ. উড়ে যাওয়া
iii. ঢাকা শহরে নেই —
ক. চিড়িয়াখানা খ. জাদুঘর
গ. মসজিদ ঘ. জলপ্রপাত
iv. কানাডার বড় শহরের নাম কী?
ক. সিডনি খ. টরেন্টো
গ. জেনেভা ঘ. গায়না
v. নায়াগ্রা কানাডার কোথায় অবস্থিত?
ক. চার্চিল খ. অটোয়া
গ. মনট্রিল ঘ. টরেন্টো
২। নিচে কয়েকটি শব্দ এবং শব্দার্থ দেয়া হলো। উপযুক্ত শব্দটি দিয়ে নিচের বাক্যগুলোর শূন্যস্থান পূরণ করো। ১×৫ = ৫
শব্দ শব্দার্থ
নির্জন জনশূন্য স্থান
তট নদীর তীর
নিরবধি অনবরত
গহ্বর গর্ত
কাণ্ডজ্ঞান স্বাভাবিক জ্ঞানবুদ্ধি
পতন নিচে পড়া
ক. মানুষের জীবনে উত্থান — থাকবেই।
খ. নদীটি বয়ে চলেছে —।
গ. লোকটি — বসে কাঁদছে।
ঘ. নদীর —বাঁধা নৌকা সারে সারে।
ঙ. পাহাড়ের গায়ে গর্ত থাকলে আমরা তাকে —বলি।
৩। নিচের যুক্তবর্ণগুলো বিভাজন করে দেখাও: ১×৫ = ৫
খরস্রোত, বিশ্ব, ভূমণ্ডল, অল্প, স্বর্ণ
৪। নিচের কথাগুলো বুঝিয়ে লেখো:
৫×২ = ১০
ক. নায়াগ্রা একেবারে ভিন্ন রকমের জলপ্রপাত।
খ. শাঁ শাঁ করে গাড়ি ছুটতে লাগল।
প্রদত্ত অনুচ্ছেদ পড়ে ৫, ৬, ৭ এবং ৮ ক্রমিক প্রশ্নের উত্তর দাও।
নায়াগ্রা হলো জলপ্রপাত। জলপ্রপাত তো কখনো দেখিনি। শুধু জেনে এসেছি, ঝর্ণার মতো পাহাড়ের ওপর থেকে পানি নিচে সমতল ভূমিতে গড়িয়ে পড়ছে, তবে আকারে প্রকারে অনেক বিশাল। ঝর্ণা ছোট, আর জলপ্রপাত বড় - এটুকু যা তফাত্।
উপর থেকে নিচে জল পতনের ব্যাপার দু-জায়গাতেই ঘটছে। জল যদি না-ই পড়ে, তা হলে ঝর্ণাও হবে না, জলপ্রপাতও হবে না। কিন্তু জল যে নিচে পড়ছে, পড়ে যাচ্ছেটা কোথায়? জলের ধর্ম তো গড়িয়ে যাওয়া। ঝর্ণার জলও গড়াতে গড়াতে ক্রমশ নদী হয়ে যায়।
৫। সঠিক উত্তরটি উত্তরপত্রে লেখো: ১×৫ = ৫
i. পাহাড় থেকে নামেনি কোন জলপ্রপাত?
ক. ভিক্টোরিয়া খ. মাধবকুণ্ড
গ. লিভিংস্টোন ঘ. নায়াগ্রা
ii. লেখক কার গাড়িতে করে নায়াগ্রা দেখতে গিয়েছিলেন?
ক. নিজের খ. কোম্পানির
গ. বন্ধুর ঘ. আত্নীয়ের
iii. ঝর্ণা ও জলপ্রপাতের ক্ষেত্রে কোন ব্যাপারটিতে মিল রয়েছে?
ক. জলপতনে খ. আকারে
গ. পুকুরের ঘ. সাগরের
iv. লেখক কখন জলপ্রপাতের কথা পড়েছেন?
ক. যখন স্কুলে পড়তেন খ. পাঁচ বছর বয়সে
গ. যখন ছোট ছিলেন ঘ. আট বছর বয়সে
v. গাড়ি কিভাবে ছুটতে লাগল?
ক.শন শন করে খ. ঝা ঝা করে
গ. শাঁ শাঁ করে ঘ. খা খা করে
পরবর্তী অংশ আগামীকাল