সোনালী আঁশ মধুখালীর কৃষকের জন্য ফাঁস

সারা দেশের মোট উত্পাদিত পাটের সিংহ ভাগ উত্পাদন হয় ফরিদপুর জেলায়। এর মধ্যে মধুখালী উপজেলায় চলতি মৌসুমে মোট ৮ হাজার ৩৩৫ হেক্টর জমিতে উত্পাদনের লক্ষ্যে পাট চাষ করা হয়। পানির অভাবে সময় মত চাষিরা পাট জাগ দিতে পারেনি। ফলে এবার বাজারে পাট উঠতে দেরি হয়। গত শুক্রবার ফরিদপুর জেলার অন্যতম বৃহত্ পাট বাজার মধুখালী হাটে চলতি মৌসুমে প্রথমে প্রচুর পাট আমদানী ঘটে। কিন্তু পাটের মূল্য কম হওয়ায় সোনালী আঁঁশ মধুখালীর কৃষকের জন্য এখন গলার ফাঁস হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক কৃষক পাট বিক্রি না করে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে গেছে। সকালে উপজেলার মধুখালী ও কামারখালী হাটে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিমণ পাট গুণগত মান যাচাইয়ে ৯৫০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১৫শ’ টাকা দরে পাট বিক্রি হচ্ছে। সকাল ৮টা থেকে পাট বিক্রি শুরু হয়। মধুখালী বাজারের মহাজন ও বিভিন্ন এলাকার চাষিদের কাছ থেকে জানা গেছে, সর্বনিম্ন ৯৫০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১৫শ’ টাকা মণ দরে পাট বিক্রি হচ্ছে। বাজারে পাট নিয়ে আসা বিভিন্ন গ্রামের পাট চাষিদের মধ্যে মতিয়ার রহমান, পাট চাষী মো. নিজাম মণ্ডল ও সুলতান মোল্লা জানায়, প্রতিমণ পাট উত্পাদন করতে খরচ পড়েছে কম বেশি ১৮শ’ টাকা। অথচ পাট বিক্রয় করতে হচ্ছে ১ হাজার থেকে ১৫শ’ টাকা। প্রতিমণ পাটে চাষিদের লাভ তো নাই বরং ৫শ’ থেকে ৬শ’ টাকা পর্যন্ত লোকসান গুনতে হচ্ছে।