৪২তম জাতীয় স্কুল-মাদ্রাসা ক্রীড়া
বরিশাল অঞ্চলে মজিদা বেগম বালিকা বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন
প্রকাশ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২১:৫০
পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার মজিদা বেগম বালিকা বিদ্যালয় ৪২তম জাতীয় স্কুল-মাদ্রাসা গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ১২ সেপ্টেম্বর বরিশাল অঞ্চলের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে মজিদা বেগম বালিকা বিদ্যালয় খুলনা অঞ্চলের বিজয়ীর সাথে খেলতে খুলনায় যাবে।
গতকাল সোমবার বরিশাল অঞ্চলের ফাইনাল শেষে বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ীদের হাতে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি তুলে দেন বিভাগীয় কমিশনার মোঃ নূরুল আমিন। মজিদা বেগম বালিকা বিদ্যালয়ের পক্ষে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি গ্রহণ করেন বিদ্যালয়ের শরীর চর্চা শিক্ষক ও টিম ম্যানেজার মোঃ মেহেদি হাসান।
মজিদা বেগম বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও খেলোয়াড়রা খুলনা অঞ্চলেও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। একই আশাবাদ ব্যক্ত করেন বিভাগীয় কমিশনার নূরুল আমিন। বরিশাল জিলা স্কুলে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সচিব মোঃ আব্দুল মোতালেব হাওলাদার ও বরিশাল মডেল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মেজর মোঃ মাসুদ রানা। সভাপতিত্ব করেন বরিশাল জেলা শিক্ষা অফিসার কাজী মনোয়ার হোসেন।
সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন বরিশাল উপ-অঞ্চলের চ্যাম্পিয়ন হওয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর খেলোয়াড়রা খুলনা অঞ্চলের মধ্যে সেরা অবস্থান করে নিবে। সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলার জন্য শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করার আহবান জানানো হয়।
পুরষ্কার বিতরণীর আগে কাবাডি ইভেন্টের সর্বশেষ খেলায় বরিশালের লামচরি মাধ্যমিক বিদ্যালয় বরগুনাকে পরাজিত করে। তার আগের দিন রবিবার আব্দুর রব সেরনিয়াবাত স্টেডিয়ামে ভোলা ও ঝালকাঠীর স্কুলকে হারিয়ে মজিদা বেগম বালিকা বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
উল্লেখ্য, এবার বরিশাল অঞ্চলের ফুটবল প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় চারটি বিদ্যালয়। এরমধ্যে তন্নী ও তানিয়ার গোলে মজিদা বেগম বালিকা বিদ্যালয় ২-০ গোলে ভোলা সরকারি বালিকা বিদ্যালয়কে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে। অপরদিকে বরিশাল সদর গার্লস স্কুলের বিরুদ্ধে জিতে ফাইনালে ওঠে রাজাপুর পাইলট গার্লস স্কুল। ফাইনালটি নির্ধারিত সময়ে গোলশূন্য থাকলে ট্রাইব্রেকারে রাজাপুর পাইলট গার্লস স্কুলকে ৩-১ গোলে হারিয়ে দেয় মজিদা বেগম বালিকা বিদ্যালয়। ট্রাইব্রেকারে বিজয়ীদের পক্ষে অধিনায়ক সুলতানা আক্তার, তানজিলা ও মিম গোল করেন।