ক্যাম্পাসের টুকরো খবর

আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ক্যাম্পাস প্রতিবেদক আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (আশাইউবি)-এর অ্যাপ¬ায়িড সোসিওলজি বিভাগ এবং বন্ধু স্যোসাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটি যৌথভাবে এইচআইভি/এইডস বিষয়ক এক সেমিনারের আয়োজন করে। সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ-এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. ডালেম চন্দ্র বর্মণ এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেডিও ভুবন-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মিস নুসরাত খান। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বন্ধু স্যোসাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটি-এর প্রোগ্রাম ম্যানেজমেন্ট স্পেশালিষ্ট উম্মে ফারহানা জারিফ কান্তা। উক্ত সেমিনারে আরো বক্তব্য রাখেন অ্যাপ¬াইড সোসিওলজি বিভাগের চেয়ারম্যান ড. আহসান হাবিব, বন্ধু স্যোসাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটি-এর পাবলিক রিলেশন এবং রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ম্যানেজার ড. পলাশ বরণ চক্রবর্তী, এবং আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ-এর অতিরিক্ত পরিচালক শাহজাহান ভুইয়া। অনুষ্ঠানে অ্যাপ¬াইড স্যোসিওলজি বিভাগ হতে প্রকাশিত ‘বন্ধন’ ম্যাগাজিন এর প্রথম সংখ্যার শুভ উদ্বোধন করা হয়। ঈশা খাঁ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাস প্রতিবেদক ঈশা খাঁ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উদ্যোগে কিশোরগঞ্জের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সম্প্রতি জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. দূর্গাদাস ভট্টাচার্যের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোঃ সিদ্দিকুর রহমান, বিশেষ অতিথি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও উন্নয়ন) মোঃ এমদাদুল হক চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের চেয়ারম্যান ড. অসীম সরকার। কুমিল্লা কমার্স কলেজ ক্যাম্পাস প্রতিবেদক এসএসসিতে জিপিএ ৩ দশমিক ৬৩ নিয়ে কুমিল্লা কমার্স কলেজে উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি হয় সাইফুল ইসলাম। সদ্য প্রকাশিত এইচএসসির ফলাফলে জিপিএ ৫ পেয়েছে সে। আরেকজন এমরান হোসেন কুমিল্লা কমার্স কলেজে উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি হয় ৪ দশমিক ৩৮ নিয়ে। এবার এইচএসসিতে পেয়েছে জিপিএ ৫। সাইফুল-এমরানের মতো এরকম বহু শিক্ষার্থীর ফল বদলে দেয়ার এক অনন্য প্রতিষ্ঠান কুমিল্লা কমার্স কলেজ। কলেজটি এবার কুমিল্লা বোর্ডের সেরা ২০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৮তম স্থান অর্জন করে। কলেজের অধ্যক্ষ মো. হুমায়ুন কবীর মাসউদ বলেন, শুধু জিপিএ ৫ নয়, শিক্ষা এবং শিক্ষার্থীদের মেধামান বাড়ানোর অবিরাম চেষ্টা আমাদের একটি লক্ষ্য এবং বৈশিষ্ট্য। ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক, কলেজ পরিচালনা পর্ষদ ও অভিভাবকদের নিরলস পরিশ্রম এবং কলেজের অভ্যন্তরীণ নিয়ম-শৃঙ্খলা এই ভালো ফলাফলের নেপথ্য কারণ বলে জানান তিনি। অধ্যক্ষ বলেন, দেশের নামাদামি কলেজগুলো যেখানে ভালোমানের জিপিএ দেখে ভর্তি করায়, সেখানে কুমিল্লা কমার্স কলেজে জিপিএ ৩ মানের শিক্ষার্থী ভর্তি করিয়ে তাদের জিপিএ ৫ মানে উন্নিত করে। কুমিল্লা কমার্স কলেজের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান বিশিষ্ট সাংবাদিক মোস্তফা কামাল জানান, কলেজটি ২০১২ সালেও ১৮তম স্থান অর্জন করেছিল। এর আগে ২০০৯ সালে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের শীর্ষ দশ তালিকায় ৪র্থ স্থান অর্জন করে এবং ২০০৮ সালে অর্জন করে ৬ষ্ঠ স্থান। এছাড়াও ২০০৭ ও ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠানটি শতভাগ পাসের শীর্ষত্ব ধরে রাখে। তিনি বলেন, একটি মৌলিক বিশ্বাস থেকেই আমরা শিক্ষার্থীদের পরিচালিত করি। আমাদের সেই বিশ্বাসটি হলো: প্রত্যেকেই মেধাবান। কেউই মেধাহীন নয়। শিক্ষার্থীদের এ মেধার বিকাশ ও চর্চা নিশ্চিতের কাজটি করেন কুমিল্লা কমার্স কলেজের শিক্ষকরা। যার অনিবার্য এবং ধারাবাহিক ফলাফল আমরা পাচ্ছি প্রতি বছরই।