বাংলাদেশে শিশু অধিকার বাস্তবায়নে এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আসন্ন জাতীয় বাজেটে থাকা চাই সুনির্দিষ্ট বরাদ্দ ও দিকনির্দেশনা। শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ বাড়ানো, শিশু সুরক্ষা কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করা এবং বিশেষ ঝুঁকিতে থাকা (যৌনপল্লী কিংবা পথে বসবাসরত শিশু) শিশুদের জন্য সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমের আওতায় আনা ও বরাদ্দ বাড়ানোর সুপারিশ করেছে সেভ দ্য চিলড্রেন। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে সেভ দ্য চিলড্রেন প্রতিনিধিরা এসব সুপারিশ উপস্থাপন করেন। জাতীয় বাজেট (২০১৯-২০) সামনে রেখে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
শিশু অধিকারের প্রেক্ষাপট এই এক বছরে তেমন বদলায়নি। তবে এ পরিস্থিতি উন্নয়নে আমাদের আর্থিক সক্ষমতা বেড়েছে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, বর্তমান সরকারের তৃতীয় মেয়াদের প্রথম বাজেট হতে যাচ্ছে পাঁচ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি, যা গতবারের চাইতে প্রায় ১১% বেশি। বাংলাদেশে শিশু অধিকার বাস্তবায়নে এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আসন্ন জাতীয় বাজেটে থাকা চাই সুনির্দিষ্ট বরাদ্দ ও দিক-নির্দেশনা।
সাংবাদিক সম্মেলনে বাজেটের সুপারিশ উপস্থাপন করেন সেভ দ্য চিলড্রেনের চাইল্ড রাইটস গভর্নেন্স অ্যান্ড চাইল্ড প্রোটেকশন সেক্টরের উপ পরিচালক গভর্নেন্স ও পাবলিক ফাইন্যান্স আশিক ইকবাল। আরও উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির চাইল্ড রাইটস গভর্নেন্স অ্যান্ড চাইল্ড প্রোটেকশন সেক্টরের পরিচালক আবদুল্লা আল মামুন, সিনিয়র ম্যানেজার খালেদা আকতার, ম্যানেজার সিভিল সোসাইটি অ্যান্ড পলিসি অ্যাডভোকেসির রাশেদা আক্তার, ম্যানেজার সোশ্যাল অ্যাকাউন্টেবিলিটি শেখ রহমত উল্লাহ রুমি ও অন্য সহকর্মীরা।