সালাহউদ্দিনই সাফ সভাপতি থাকছেন

কাজী সালাহউদ্দিনই সাফের সভাপতি থাকছেন। সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের (সাফ) আটটি দেশের ফুটবল সভাপতিদের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠরাই তার পক্ষে মত দিয়েছেন। নেপাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি গনেশ থাপা বলেছেন, ‘সালাউদ্দিনের নেতৃত্বে সাফ ভালোই চলছে। নির্বাচনের প্রয়োজন নেই।’ অথচ নেপাল চ্যাম্পিয়ন হলে গনেশ থাপা নিজেই সাফের প্রার্থী হবেন বলে কাঠমান্ডুতে শোনা গিয়েছিল। কিন্তু নেপাল সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নেয়াতে তিনি প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ থেকে সরে গিয়ে সালাহউদ্দিনের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন। গনেশ থাপা সালাহউদ্দিনের পক্ষে কথা বললেও ভুটানের আপত্তি আছে। ভুটান বলেছে প্রতি মেয়াদে পালাক্রমে একটি করে দেশ সাফের সভাপতি হলে ভালো। তা না হলে ভুটান কখনোই সভাপতি হওয়ার সুযোগ পাবে না। এজন্য গঠনতন্ত্রে সংশোধন করার দাবি জানিয়েছে ভুটান। সালাউদ্দিনকে নিয়ে পাকিস্তানের কিছুটা আপত্তি থাকলেও গতকালের সভায় তারা জোর দিয়ে কোনো দাবি তোলেনি। সাফের নির্বাচন আগামী নভেম্বরে হবে বলে জানা গেছে। এর মধ্যে নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে বলে আগেই জানিয়েছিলেন সাফের সাধারণ সম্পাদক ভারতীয় আলবার্তো কোলাসো। গতকাল সাফের মুলতবি সভা শেষে আলোচনায় আভাস পাওয়া যাচ্ছে অন্য কোনো দেশ দাবি না তুললে আপাতত এক রকম সিদ্ধান্ত প্রায় হয়েই থাকল, সালাউদ্দিনই আগামী মেয়াদে সাফের সভাপতি হতে যাচ্ছেন। সাফের এ সভায় নেয়া অন্য সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে আছে নতুন আসর অনূর্ধ্ব-১৯ যুব সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত হবে ২০১৫ সালে। আগামী বছর পাকিস্তানে মহিলা সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত হবে। সাফের নিয়ম অনুসারে একবার অন্তর ভারতে অনুষ্ঠিত হবে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। সে হিসাবে ২০১৫ সালে পরবর্তী আসরটি হবে ভারতে। ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপ হবে কিনা তা নিয়ে এবারও সিদ্ধান্ত হয়নি। বহু দিন ধরে ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজন নিয়ে শুধু আলোচনাই হচ্ছে। সাফ সভাপতি সালাউদ্দিন আগেও জানিয়েছিলেন তিনি ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু করবেন। কিন্তু সেটা এবারও হলো না। আটটি সাফ খেলা বাংলাদেশের গোলকিপার বিপ্লবকে সংবর্ধনা দেয়ার ব্যাপারেও গতকাল কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আজ মুলতবি সভায় সেটা হতে পারে বলে জানা গেছে।