কুষ্টিয়ায় ব্যাদ সম্প্রদায়ের ভজনের কৃতিত্ব
হুমায়ূন কবির হিমু, মিরপুর (কুষ্টিয়া) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২০:০৭
কুষ্টিয়া মিরপুর উপজেলা পরিষদের অনতিদূরে রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন আদিবাসী ‘ব্যাদ সম্প্রদায়’-এখন সাংস্কৃতির কারখানায় পরিণত হয়েছে। যাযাবর জীবন-যাপনে অভ্যস্ত মিরপুর উপজেলায় এ সম্প্রদায়ের আবির্ভাব ঘটে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশ স্বাধীন হবার পর পরই ১৯৭২ সালের দিকে। মূলত পাখি শিকার এবং বেত ও মোলা বাঁশ দিয়ে তৈরি বিভিন্ন জিনিস-পত্রাদী তৈরি করে বাজারজাত করা এই ব্যাদ সম্প্রদায়ের মূল পেশা হলেও প্রায় ৩ দশক ধরে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিভিন্ন শাখার সাথে এই সম্প্রদায়ের বেশিরভাগ সদস্য নিজেদের সম্পৃক্ত করে রীতিমত সাংস্কৃতির কারখানায় পরিণত করেছে। মিরপুরের এই ব্যাদ সম্প্রদায়ের বাউল ভজন ক্ষ্যাপা, তবলা বাদক সুমন এবং সর্বশেষ শ্রাবণ কুমার জুয়েল নিজ এলাকায় ইতিমধ্যেই জনপ্রিয়তা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। এরমধ্যে সুমন কুমার ব্যাদ বর্তমানে বাংলাদেশ বেতার ঢাকায় তবলা বাদক হিসাবে কর্মরত, কণ্ঠশিল্পী বাউল ভজন খ্যাপা ২০১৩ সালে বেসরকারি এনটিভির সংগীত প্রতিভা অন্বেষণ মূলক প্রতিযোগীতা ক্লোজআপ ওয়ানে সেরা ৩০ এবং শ্রাবণ কুমার জুয়েল প্রথমবারের মতো এসএ টিভিতে অনুষ্ঠিতব্য সংগীত প্রতিভা অন্বেষণমূলক ‘বাংলাদেশী আইডল’ প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণ করা কয়েক লক্ষ প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে এখন সেরা ১৪ তে থাকার মধ্যদিয়ে প্রতিযোগিতায় টিকে রয়েছেন।