ইতালির টানা ১৪

এপর্যন্ত একবারই বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করতে পারেনি ইতালি। তাও সেটা অর্ধ শতাব্দীরও বেশি সময় আগে, ১৯৫৮ সালের কথা। গত মঙ্গলবার চেক প্রজাতন্ত্রকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে ব্রাজিলের টিকিট নিশ্চিত করে ফেলেছে চারবার বিশ্বকাপের শিরোপা জেতা দলটি। ২০১৪ বিশ্বকাপ দিয়ে টানা ১৪ বারের মতো ফুটবলের মহাযজ্ঞে অংশ নিতে যাচ্ছে সিজারে প্রাণদেল্লির দল। অবশ্য নেদারল্যান্ড একই দিনে অ্যানডোরাকে হারিয়ে ইতালির আগেই প্রথম ইউরোপীয় দল হিসেবে ব্রাজিলের টিকিট নিশ্চিত করেছে। রবিন ভন পার্সি একাই টেনে তোলেন তার দলকে। ম্যাচের প্রথমার্ধে কোনো গোলই হয়নি। কিন্তু বিরতি শেষে মাঠে নামার পর জ্বলে ওঠেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এই স্ট্রাইকার। মাত্র চার মিনিটের ব্যবধানে (৫০ এবং ৫৪ মিনিটে) দুটি গোল করেন। অ্যানডোরাকে হারানোর জন্য ঘাম ঝরাতে হয়েছে আজ্জুরিদের। খেলা শুরুর ১৯ মিনিটের মাথায় গোল খেয়ে বসে ইতালি। অ্যানডোরার স্ট্রাইকার লিবোর কোজাক তার দলকে এগিয়ে নেন। ১-০ তে পিছিয়ে থেকেই প্রথমার্ধ শেষ করে ইতালি। কিন্তু বিরতির পর মাত্র তিন মিনিটের ব্যবধানে গিওর্গিও চিয়েল্লিনি (৫১ মিনিটে) এবং মারিও বালোতেল্লি (৫৪ মিনিটে) পরপর দুটি গোলের সুবাদে ২-১ এ এগিয়ে যায় আজ্জুরিরা। বালোতেল্লি গোলটি করেন পেনাল্টি থেকে। শেষ পর্যন্ত পেনাল্টি থেকে পাওয়া গোলের কল্যাণে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে প্রাণদেল্লির দল। জুভেন্টাস স্টেডিয়ামে দুই ম্যাচ হাতে রেখেই ব্রাজিলের টিকিট নিশ্চিত করার পর ইতালির কোচ প্রাণদেল্লি বলেন, ‘আমরা বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে উত্তীর্ণ হয়েছি এবং এতে আমরা সত্যিই খুশি।’ জয় পেয়েছে জার্মানিও। ফারাও আইল্যান্ডের বিপক্ষে তারা জিতেছে ৩-০ ব্যবধানে। ২২ মিনিটে পার মার্তাস্যাকারের গোলে এগিয়ে যায় জার্মানি। এরপর ৭৪ মিনিটে পেনাল্টি থেকে মেসুত ওজিল একটি এবং ৮৪ মিনিটে টমাস মুলারের গোলের সুবাদে বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে জার্মানরা। ওয়েন রুনি এবং ড্যানিয়েল স্টারিজ বিহীন ম্যাচে ইংল্যান্ড গোলশূন্য ড্র করেছে ইউক্রেনের সঙ্গে। ইংল্যান্ড হতাশ হলেও একই দিনে বেলারুশকে বড়ো ব্যবধানে হারিয়েছে ফ্রান্স। বেলারুশের বিপক্ষে তাদের জয় ৪-২ গোলের। জয়ের খরায় ভুগতে থাকা ফ্রান্সের ত্রাতা ছিলেন এ বছরের ইউরোপ সেরা ফ্রাঙ্ক রিবেরি। ম্যাচের ৩২ মিনিটে এগোর ফিলিপ্পেনকোর গোলে বেলারুশ এগিয়ে গেলেও ৪৭ মিনিটে খেলায় সমতা ফেরান রিবেরি। ৫৭ মিনিটে টিমোফে কালাচেভের গোলে বেলারুশ আবারও এগিয়ে যায়। ৬৪ মিনিটে রিবেরি আবারও সমতা ফেরান। এরপর ৭০ মিনিটে সামির নাসরি আর ৭৩ মিনিটে পল পোগবার দুই গোলের সুবাদে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ফ্রান্স।