ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গায়েব চক্র সক্রিয়
প্রকাশ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২২:০৬
কুমিল্লায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে একটি ট্রান্সপোর্টের গায়েব হওয়া ৬০ লাখ টাকার মালামালের মধ্যে পুলিশ জেলার লাকসাম ও চৌদ্দগ্রাম এলাকায় গত ৩ দিন ধরে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৩০ লাখ টাকার মালামাল উদ্ধার করেছে। এসময় পুলিশ গায়েবী চক্রের ৩ সদস্যকে গ্রেফতার করে ৫ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে মঙ্গলবার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করেছ। এর আগে গত ৪ আগস্ট কুমিল্লা ইপিজেডের একটি কোম্পানির প্রায় সোয়া কোটি টাকার রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকের একটি চালান গায়েব হওয়ার পর ঢাকার উত্তরা থেকে চক্রের এক সদস্যের মালিকানাধীন একটি গার্মেন্টস গুদাম থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। সংঘবদ্ধ গায়েবী চক্রের এসব ঘটনায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কসহ আঞ্চলিক সড়কগুলো মালামাল পরিবহনের ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠেছে। পুলিশ জানায়, ঢাকা থেকে গাড়ির পার্টস, পাওয়ার ইঞ্জিন, কোকারিজসহ বিভিন্ন মালামাল ভর্তি করে হাজীগঞ্জ ট্রান্সপোর্টের একটি কাভার্ডভ্যান চাঁদপুর যাওয়ার পথে চালকের যোগসাজশে প্রায় ৬০ লাখ টাকার মালামাল ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা এলাকা থেকে গায়েব হয়ে যায়। এ ঘটনায় কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়েরের পর পুলিশ গায়েবীচক্রের সদস্যদের ধরতে ও মালামাল উদ্ধার করতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সাইফুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ গত ৩ দিন ধরে অভিযান চালিয়ে সোমবার পুলিশ জেলার লাকসাম থেকে চক্রের ৩ সদস্যকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে- লাকসামের পশ্চিম আমুদা গ্রামের বিপ্লব হোসেন, মধ্য লাকসামের ব্যবসায়ী মাসুদ ইকবাল ও চন্দনা গ্রামের আবদুল বারিক। পুলিশ তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী লাকসাম পৌর এলাকার নশরতপুর বাইপাস সড়কসংলগ্ন স্বপ্ন পূরণ বিজনেস সেন্টার শো-রুম ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলার হাড়িসর্দার বাজারের কবির ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৩০ লাখ টাকা মূল্যের মালামাল উদ্ধার করে।