ব্রহ্মপুত্র যমুনা বিধৌত অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি
প্রকাশ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২৩:০৮
ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা বিধৌত অঞ্চলে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি ক্রমাগত অবনতির দিকে। ইতিমধ্যে উত্তরাঞ্চলের সিরাজগঞ্জ, গাইবান্ধা এবং পূর্বাঞ্চলের জামালপুর, টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জের ব্যাপক অঞ্চল জুড়ে বন্যা দেখা দিয়েছে। বহু উপজেলায় গ্রামের পর গ্রাম তলিয়ে গেছে। লাখ লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। গাইবান্ধার ১৩ ইউনিয়নের শতাধিক গ্রাম প্লাবিত। সিরাজগঞ্জে ১৮ ইউনিয়নে ৫০ গ্রাম প্লাবিত। একমাত্র জামালপুরেই দেড় লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী। উল্লাপাড়া উপজেলায় ৪০ গ্রাম প্লাবিত। প্রধানত ব্রহ্মপুত্র ও যমুনাতে চলছে তীব্র ভাঙ্গন। ভয়াল রূপ ধারণ করেছে দেশের প্রধান এই দুই নদ-নদী।
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, যমুনা নদীর পানি সিরাজগঞ্জ ও কাজীপুর পয়েন্টে অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে সিরাজগঞ্জ সদরসহ কাজীপুর, চৌহালী, শাহজাদপুর ও চলনবিল অধ্যুষিত তাড়াশ উপজেলার ১৮টি ইউনিয়নের ৫০টি গ্রামের মানুষ। ডুবে গেছে নিচু জমির ফসল ও হাট-বাজার। তীব্র হচ্ছে নদীভাঙন।
শাহজাদপুর উপজেলায় যমুনা ও বড়াল নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে কৈজুরি, জালালপুর, গালা ও সোনাতনি ইউনিয়নের ১০টি গ্রাম পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। গো-চারণ ভূমি তলিয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন খামারিরা। তাড়াশ উপজেলার দুইটি ইউনিয়নের ৭টি গ্রাম বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে।
চৌহালী উপজেলার সৌদিয়া চাঁদপুর, স্থল, খাস কাউলিয়া ও খাস পুকুরিয়া ইউনিয়নের অন্তত ২০টি গ্রামের মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। একইসঙ্গে চলছে তীব্র নদীভাঙন। দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানি ও খাবার সঙ্কট।
গোপালপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা জানান, যমুনার নজীরবিহীন ভাঙ্গনে শতাব্দী-প্রাচীন ৪টি জনপদ গোপালপুর উপজেলার মানচিত্র থেকে হারিয়ে গেল। পশ্চিম শাখারিয়া ও চক ভরুয়া ইতিমধ্যে নিশ্চিহ্ন হয়েছে। আর চক সোনামুই ও চর সোনামুই গ্রামের দুই তৃতীয়াংশ নদীগর্ভে। অবশিষ্টাংশ নদীগর্ভে চলে যাওয়া এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। সোনামুই গ্রামের ছানোয়ার হোসেন জানান, উজানে যমুনার মূল স্রোতধারা দ্রুত বামে সরে এসে এসব জনপদে হানা দেয়। বিগত ৬দিনের ভাঙ্গনে চর সোনামুই গ্রামের দুই সহস্রাধিক একর আবাদী জমি এবং ছয় শতাধিক বাড়িঘর ও বসতভিটা নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। স্কুল, মাদ্রাসা, মসজিদ, দোকানপাট কিছুই রেহাই পায়নি। নবনির্মিত চর সোনামুই বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন গত সোমবার নির্মাণকাজ শেষ হয় আর গতকাল বুধবার সেটি নদীগর্ভে চলে যায়। ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্তরা বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ অথবা আশপাশের গ্রামে আশ্রয় নিচ্ছে। গ্রামের কয়েক হাজার পরিবার পানিবন্দী। ঘরে খাবার নেই। বিশুদ্ধ পানীয়জলের ব্যবস্থা নেই। সরকারি সাহায্য জোটেনি। উপজেলা চেয়ারম্যান ইউনুস ইসলাম তালুকদার এবং ইউএনও তানজিলা ইসলাম আজ বুধবার ভাঙ্গনকবলিত গ্রাম পরিদর্শন করেন। উপজেলা চেয়ারম্যান ইউনুস ইসলাম তালুকদার জানান, বরাদ্দের অভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও অনাহারী মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করা সম্ভব হয়নি।
গাইবান্ধা প্রতিনিধি জানান, ঘাঘট, ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, যমুনা ও করতোয়ায় পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ, সদর, ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের চরাঞ্চলসহ নদী তীরবর্তী এলাকার শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পানির প্রবল চাপে ফুলছড়ির উড়িয়া-কঞ্চিপাড়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ সংলগ্ন বেড়ীবাঁধের একাংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। অপরদিকে সদর উপজেলার কামারজানি-মালিবাড়ী-গিদারি ইউনিয়নে বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধের বেড়ীবাঁধটির ৫০ ফুট এলাকা ধসে যাওয়ায় পানি উন্নয়ন বোর্ড তা সংস্কারের চেষ্টা চালাচ্ছেন।
গতকাল বুধবার ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপদসীমার ৫৩ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। গাইবান্ধা সদর, ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের চরাঞ্চলসহ নদী তীরবর্তী আরও নতুন নতুন এলাকায় বন্যার পানি ঢুকতে শুরু করেছে। বৃদ্ধি পেয়েছে নদী ভাঙ্গন। এপর্যন্ত ২ শত ঘরবাড়ীসহ ব্যাপক এলাকা নদীগর্ভে বিলীন এবং শতাধিক গ্রামের মানুষ বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে। ডুবে গেছে হাজার হাজার একর রোপা আমন, ভুট্টা ও সবজি ক্ষেত।
ইউপি চেয়ারম্যান ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বন্যাকবলিত মানুষের কাছে এখনও কোন ত্রাণসামগ্রী পৌঁছেনি। এসব এলাকায় খাবার ও বিশুদ্ধ পানি এবং জ্বালানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এছাড়া গবাদি পশু নিয়েও বন্যাকবলিত এলাকার মানুষ চরম বিপাকে পড়েছে।
জামালপুর প্রতিনিধি জানান, জামালপুরের বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটেছে। বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্টে ১১ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়ে বুধবার দুপুরে যমুনা বিপদসীমার ৪১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। জেলার ৭টি উপজেলার ৬৮টি ইউনিয়নের মধ্যে ৩০টি ইউনিয়ন প্লাবিত। মেলান্দহের ৫টি ইউনিয়ন ও ইসলামপুরের পূর্বাঞ্চলের ৪টি ইউনিয়নসহ মোট ৮টি ইউনিয়নের কমপক্ষে ৩৮টি গ্রাম নতুন করে বন্যাকবলিত হয়েছে। আরও ৩০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে এবং প্রায় ৫ হাজার হেক্টর জমির রোপা আমন ও সবজি ক্ষেত তলিয়ে গেছে। মেলান্দহ থেকে মাহমুদপুর হয়ে উলিয়া বাজারের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। ইসলামপুর থেকে পচাবহলা হয়ে মাহমুদপুর সড়ক যোগাযোগ বন্ধ। সরিষাবাড়ী, মাদারগঞ্জ ও দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বিভিন্নস্থানে আভ্যন্তরীণ সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। ৩৮টি ইউনিয়নে কমপক্ষে ১ লাখ ৮০ হাজার মানুষ পানিবন্দী।
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি জানান, কুড়িগ্রামের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত। গত ২৪ ঘন্টায় ব্রহ্মপুত্রে ৫ সে. মিটার পানি বেড়ে বিপদসীমার মাত্র ৮ সে.মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত। তিস্তায় পানি বেড়েছে ৭ সেন্টিমিটার।
কুড়িগ্রাম সদর, চিলমারী, ফুলবাড়ী, নাগেশ্বরী, রৌমারী, রাজীবপুর, ভুরুঙ্গামারী ও উলিপুর উপজেলার দুই শতাধিক চর, দ্বীপচর ও নদী সংলগ্ন গ্রামের আরো নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দী হয়ে পড়েছে ১২ হাজার পরিবারের প্রায় ৬০ হাজার মানুষ। চরাঞ্চল ও নদী তীরবর্তী গ্রামগুলোর আমনক্ষেত ৩-৪ ফুট পানির নীচে।
কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, এ পর্যন্ত ৭ হাজার ৩০০ হেক্টর জমির আমন ফসল বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। ফসল নষ্ট হওয়ার আশংকায় কৃষক হতাশ।
পানিবন্দী মানুষ চরের উঁচু ভিটায় কিংবা ঘরের ভেতর মাচা করে আশ্রয় নিয়ে আছে। চরাঞ্চলগুলোতে ঘর-বাড়ীতে পানি ওঠার পাশাপাশি রাস্তা-ঘাট ডুবে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে মানুষজন। বন্যাকবলিত এলাকার মানুষগুলো কাজে যেতে না পারায় খাদ্যের অভাব দেখা দেয়াসহ বিশুদ্ধ পানির সংকটে পড়েছে।
মাদারগঞ্জ (জামালপুর) সংবাদদাতা জানান, মাদারগঞ্জ উপজেলায় সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। ৫টি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত। এ দিকে বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার কাজলা ইউনিয়নের দুর্গম চর উত্তর টেংরাকুটায় একদল দুর্বৃত্ত বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ কেটে দেয়ায় মাদারগঞ্জ উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে উঠতি আমনধান, পাট, সবজির ব্যাপক ক্ষতি হয়। গতকাল বুধবার পর্যন্ত কৃষি বিভাগ ১৫৯৫ হেক্টর রোপা আমন, ১৩২ হেক্টর সবজি ক্ষেত ও ৫০ হেক্টর মরিচক্ষেত নিমজ্জিত হয়েছে বলে জানিয়েছে বানভাসী মানুষেরা উঁচু স্থানে আশ্রয় নিতে ছুটে আসছে।
রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা জানান, রাজারহাট উপজেলার তিস্তানদীর অব্যাহত ভাঙ্গনের খবর বেশ কিছু পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হলেও কর্তৃপক্ষের কোন ভূমিকা না থাকায় ভাঙ্গন কবলিত এলাকার মানুষেরা হতাশায় দিনাতিপাত করছে। তীরবর্তী মানুষের নদীভাঙ্গনের আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটছে। ভাঙ্গন থেকে রক্ষার জন্য নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটছে শত পরিবার। ওয়াপদা রাস্তার পাশে আশ্রয় নিলেও জনসংখ্যা বেশি হওয়ার কারণে ঠাঁই মিলছেনা সেখানেও। ভাঙ্গনের ভয়ে নদী থেকে অনেক দূরে ঠাঁই খুঁজে নিচ্ছে। ৭ দিনে তিস্তার ভাঙ্গনে বিলীন হয়েছে ২ শতাধিক ঘর-বাড়ি। আবাসন প্রকল্পের প্রায় ৪০টি পরিবারের ঘর তিস্তা গর্ভে যাওয়ার আতঙ্কে রাত কাটাচ্ছেন আবাসন প্রকল্পের বাসিন্দারা।
কাজীপুর (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা জানান, কাজীপুরে যমুনা নদীতে পনি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনার পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ১৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নতুন নতুন গ্রাম বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে। বন্যার পানিতে ৭টি ইউনিয়নের ৩৪টি গ্রামের অন্তত ৪০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। শত শত মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে উঁচু স্থানে আশ্রয় নিয়েছে। বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে। ১৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ জমির ফসল নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে।
সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) সংবাদদাতা জানান, উপজেলার হরিপুর, চন্ডিপুর, কাপাশিয়া ও বেলকা ইউনিয়নে চরাঞ্চলসহ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত। শত শত হেক্টর আমনক্ষেত, সবজিক্ষেত নিমজ্জিত হয়।
সদরপুর (ফরিদপুর) সংবাদদাতা জানান, ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় পদ্মা ও আড়িয়ালখাঁ নদের পানিতে বন্যা পরিস্থিতি আরো অবনতি হয়েছে। ৩ শতাধিক পরিবারের ঘর-বাড়িতে ডুবে গেছে। পদ্মা গতকাল মঙ্গলবার বিপদসীমার ২৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। ভাঙ্গনের তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার খোলা আকাশের নিচে অর্ধাহারে, অনাহারে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে। চন্দ্রপাড়া ভাঙ্গন প্রতিরোধ বাঁধের অর্ধাংশ ধসে গেছে। বর্তমানে চন্দ্রপাড়া দরবার শরীফ, চন্দ্রপাড়া মাদ্রাসা, হাইস্কুল, দু’টি প্রাইমারি স্কুল, চন্দ্রপাড়া বাজার ও ফরিদপুর-বরিশাল বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধের ২ কিঃ মিঃ এলাকা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। আকটেরচর ইউনিয়নের শয়তানখালী ও হঠাত্ গ্রামসহ কয়েকটি গ্রাম বন্যা কবলিত হয়েছে।
উল্লাপাড়া সংবাদদাতা জানান, করতোয়া নদীতে ৪ দিন ধরে অস্বাভাবিক হারে পানি বৃদ্ধির ফলে উল্লাপাড়ার লাহিড়ী মোহনপুর, সলপ, পঞ্চকোশী ও বাঙ্গালা ইউনিয়নের ৪০টি গ্রাম বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে। এ সব এলাকার সদ্য বোনা ৫০ হেক্টর জমির রোপা ধান এবং ২০ হেক্টর জমির মাসকলাই ডুবে গেছে।
সারিয়াকান্দি (বগুড়া) সংবাদদাতা জানান, ২য় দফা বন্যায় সারিয়াকান্দিতে বাড়ি-ঘর ও ফসলি জমিতে বন্যার পানি ঢুকে পড়েছে। উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের বয়ড়াকান্দি, নিজকর্নিবাড়ী ও ধলিরকান্দি গ্রামের ৩ শতাধিক বাড়ি-ঘরে পানি ঢুকে পড়েছে। অনেক পরিবার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধসহ উঁচুস্থানে আশ্রয় নিয়েছে। ৩শ’ হেক্টর জমির রোপা আমন ও অন্যান্য ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে। চালুয়াবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম বাদশা জানান, তার ইউনিয়নের ৮টি গ্রাম ভাঙনের কবলে পড়েছে। যমুনার চরাঞ্চলের ৫ শতাধিক পরিবার বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রসহ উঁচু জায়গায় আশ্রয় নিয়েছে।