ডোমারে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চালাচ্ছেন ৩ ডাক্তার
ডোমার (নীলফামারী) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২১:৫০
নীলফামারীর ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিত্সা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। ১টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, ৮টি উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও ২৫টি কমিউনিটি ক্লিনিকে মাত্র ৩ জন ডাক্তার। আর ব্যাপক অনিয়মের মধ্য দিয়ে চলছে ডোমারের চিকিত্সা ব্যবস্থা। ডোমার সদর থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে ২১ বিঘা জমির উপর ১৯৬৮ সালে ৩১ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি প্রতিষ্ঠিত হয়। তত্কালীন উপজেলার নেতৃবৃন্দ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কুষ্ঠ রোগের চিকিত্সা হবে মর্মে সদর থেকে দূরে প্রতিষ্ঠা করেছে। আর বর্তমানে এর দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে গোটা উপজেলাবাসীকে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২১ জন ডাক্তারের স্থলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তাসহ রয়েছে মাত্র ৪ জন ডাক্তার, ১ জন জুনিয়র কনসালটেন্ট (এ্যানেসথেসিয়া), ১ জন অর্থপেডিক্স, ১ জন জুনিয়র কনসালটেন্ট (কার্ডিও), ১ জন জুনিয়র কনসালটেন্ট (চক্ষু), ১ জন জুনিয়র কনসালটেন্ট (আইএনটি), ১ জন জুনিয়র কনসালটেন্ট (চর্ম ও যৌন রোগ), ১ জন আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার, ১ জন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, ১ জন গাইনি বিশেষজ্ঞ, ১ জন ডেন্টাল সার্জেন্ট পদগুলো দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে এবং সহকারী সার্জেন্ট (এমও, আইএমও, ইএমও, প্যাথলজি, এ্যানাস) ৬ জনের স্থলে রয়েছে ১ জন এবং ৮টি উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে কোন ডাক্তার নেই। পাশাপাশি ২৫টি কমিউনিটি ক্লিনিকে ডাক্তার থাকার কথা থাকলেও কোন ডাক্তার বসে না বলে অভিযোগ রয়েছে। এদিকে দ্বিতীয় শ্রেণির ১৫ জন কর্মচারী থাকার কথা থাকলেও আছে মাত্র ৬ জন। তৃতীয় শ্রেণির ১১১ জন কর্মচারীর থাকার কথা থাকলেও আছে মাত্র ৭৪ জন এবং চতুর্থ শ্রেণির ৩১ জন কর্মচারীর মধ্যে রয়েছে ২৪ জন। এরমধ্যে স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ডাক্তার শওকত আলী সাফায়াত এবং সোনারায় উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে মেডিক্যাল অফিসার ডাক্তার শারমিন নাহার যোগদান করার পর থেকে অনুপস্থিত রয়েছে বলে মেডিক্যাল সূত্রে জানা গেছে। ডাক্তার এবং কর্মচারীর অভাবে চিকিত্সা ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে। এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডা. মোঃ মোস্তাকুর রহমান খানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমি এগুলোর ব্যবস্থা নিবো এবং সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য প্রতি মাসে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিতভাবে অভিহিত করে আসছি।