আওয়ামী লীগ তত্ত্বাবধায়ক দিলে জামানত হারাবে :ফখরুল

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমরা পরিষ্কার করে জানিয়ে দিতে চাই-বর্তমান সরকার ও প্রধানমন্ত্রীর অধীনে কোনো নির্বাচন হবে না। নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া বাংলাদেশে কোনো নির্বাচন হতে দেয়া হবে না। সেই সঙ্গে বর্তমান ‘অপদার্থ’ নির্বাচন কমিশনের অধীনেও কোনো নির্বাচন হবে না। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত তারেক রহমানের রাজনৈতিক চিন্তা প্রসূত ‘আগামীর বাংলাদেশ:তৃণমূলের ভাবনা’ শীর্ষক পর্যালোচনা সভায় তিনি একথা বলেন। ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ টের পেয়ে গেছে যে কোনো নির্বাচন হলেই তারা জয়ী হতে পারবে না। নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে তাদের ভরাডুবি-ই শুধু নয়, তাদের জামানতও বাজেয়াপ্ত হবে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে গেছে। তারা এখন রাজনীতিকে রাজনীতি দিয়ে মোকাবেলা করতে পারছে না। সংবিধানের দোহাই দিচ্ছে। জনগণের ওপর আওয়ামী লীগের কোনো আস্থা নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার অনলাইন পত্রিকাগুলোকেও নিয়ন্ত্রণের জন্য নতুন তথ্য প্রযুক্তি আইন করেছে। সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, শুধু দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের কারণেই নয়, দলের ভেতরেরও একটি চক্রের কারণে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে জেলে নেয়া হয়েছিল। এখন বিদেশেও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে। বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সুপ্রিম কোর্ট বার এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি এডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, তারেক রহমান এদেশের যুবসমাজকে নতুনভাবে পথ দেখিয়েছে। তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার একমাত্র পথ বর্তমান সরকারের পতন ঘটানো। এজন্য দরকার নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন। এই দাবি আদায়ে তিনি দেশের সকল নাগরিককে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।