পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি আট হাজার টাকা দাবি
প্রকাশ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২১:৩২
বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতি সমাবেশে সংহতি প্রকাশ করে লেখক-সংবাদিক সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেছেন, ন্যূনতম মজুরি ৮হাজার টাকার কম কোনভাবেই মেনে নেয়া যাবে না। কেননা ঢাকা শহরে ২ জন মানুষেরও ১০ হাজার টাকার নিচে খেয়ে পরে বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। মজুরি এর চেয়ে কম দেয়া হলে আমরা এর প্রতিবাদ করবো। শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ৮হাজার টাকা ন্যূনতম মূল মজুরি এবং রানা প্লাজার নিহত, আহত এবং নিখোঁজ শ্রমিক পরিবারগুলোকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের দাবিতে আয়োজিত এক শ্রমিক সংহতি সমাবেশ তিনি এসব কথা বলেন।
অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, গার্মেন্ট শ্রমিকরা ৮হাজার টাকা দাবি করে মালিকদের সুবিধাই করে দিয়েছে। মালিকদের উচিত খুশি মনে এ দাবি মেনে নেয়া। কেননা বর্তমান বাজার দর অনুযায়ী শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি হওয়া উচিত কমপক্ষে ১৬ হাজার টাকা।
সংগঠনের সমন্বয়ক তাসলিমা আখ্তারের সভাপতিত্বে সমাবেশে সংহতি জ্ঞাপন করে বক্তব্য রাখেন শ্রমিক নেতা শাহ্ আতিউল ইসলাম, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, পুষ্টিবিজ্ঞানী ড. আখতারুজ্জামান, লেখক ও সংস্কৃতিকর্মী অরুপ রাহী, শিল্পী কৃষ্ণকলি ইসলাম এবং নাট্যকর্মী বন্যা মির্জা। সংগঠনের কেন্দ্রীয় সদস্য জুলহাসনাইন বাবুর পরিচালায় সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন সাভার, আশুলিয়া এবং নারায়ণগঞ্জের শ্রমিক নেতৃবৃন্দ।