ফুলবাড়ীয়ায় মা মেয়ে নাতি খুন

জেলার ফুলবাড়ীয়া উপজেলার জোরবাড়ীয়া দড়িপাড়া গ্রামে গত বৃহস্পতিবার রাত ৮ টার দিকে দুর্বৃত্তের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মা জহুরা খাতুন (৫০) ও মেয়ে শিমা আক্তার (১২) ও নাতি ফারুক হোসেন (৭) খুন হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ভ্যান চালক আ. লতিফকে আটক করেছে পুলিশ। তার বাম হাতের একটি আঙুল ধারালো অস্ত্রের আঘাতে কাটা রয়েছে। এদিকে ডিবিসহ পুলিশের একাধিক টিম গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে হত্যাকাণ্ডস্থল তদন্ত করছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহার করা একটি দা ও একটি চাকুর ভাঙ্গা অংশ পুলিশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ খুনের ঘটনাস্থল একনজর দেখতে গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে শতশত নারী-পুরুষ ভিড় করছে। ভ্যান চালক আ. লতিফ জানান, তিনি গত বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় বাড়ি ফিরে দেখেন তার স্ত্রী জহুরা, মেয়ে শিমা ও নাতি ফারুক রক্তাক্ত অবস্থায় রান্না ঘরের মেঝেতে পড়ে রয়েছে। শিশু ফারুক হোসেনকে মারাত্মক আহত অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে। এর আগে ঘটনাস্থলে মা-মেয়ের মৃত্যু হয়। খুন হওয়ার সময় মা ও মেয়ে রান্না ঘরে রাতের খাবার তৈরি করছিল। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মা জহুরা খাতুনের মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত ও গলার ২ পাশে চাকু দিয়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মেয়ে শিমা আক্তারের মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত ও পিঠের ২ পাশে চাকু দিয়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। নিহত ৭ বছরের শিশু ফারুক হোসেনের মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মগজ বের হয়ে যায়। ফুলবাড়ীয়া থানার ওসি আনোয়ার হোসেন ভুইয়া বলেন, এ ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি। একই পরিবারের ৩ খুনের ঘটনায় ডিবিসহ পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে।