মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে পদ্মায় তীব্র স্রোত
মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি ও শিবচর (মাদারীপুর) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২৩:০১
মাওয়া-কাওরাকান্দি নৌরুটে পদ্মায় পানি কমে যাওয়ায় তীব্র স্রোতেও ফেরি চলছে। ৯টি ফেরি দিয়ে গতকাল শনিবার এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এই সার্ভিস সচল রাখা হয়েছে। এছাড়াও টাগবোটের সাহায্য নিয়ে ফেরিগুলোও চললেও গন্তব্যে পৌঁছাতেও সময় বেশি লাগছে। এদিকে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে রো রো ফেরি খান জাহান আলী বন্ধ রয়েছে। আর স্রোতে সঙ্গে একবারেই কুলাতে না পারায় ৭ টি ফেরি বন্ধ রাখা হয়েছে। এর ফলে উভয় পাশে পারাপারে অপেক্ষায় রয়েছে ৫’শ যানবাহন। পণ্যবাহী ট্রাকগুলোকে ১০ কিলোমিটার দূরে শ্রীনগর উপজেলার ছনবাড়িতে আটকে দেয়া হয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রুহুল আমিন বলেন, পদ্মার পানি হঠাত্ বেড়ে গিয়ে মাওয়া অংশে তীব্র স্রোত তৈরি হয়েছে। পানি কমার মুহূর্তেও এ স্রোতের তীব্রতা বেড়েছে। এতে ফেরি চলাচল বিঘ্নিত হওয়া ছাড়াও নদী ভাঙন মারাত্মক আকার ধারণ করেছে।
মাওয়া বিআইডব্লিউটিসির ম্যানেজার সিরাজুল হক বলেন, শনিবার ভোর থেকে বৃষ্টি আর বাতাসে পদ্মায় স্রোতের তীব্রতা আগের দিনের চেয়ে আরও বেড়েছে। ফেরিগুলো তাদের নিজস্ব ইঞ্জিনে স্রোতের সাথে পাল্লা দিয়ে চলতে পারছে না। তাই পণ্যবাহী ট্রাকের চেয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যাত্রীবাহী বাস ও প্রাইভেট কার পারাপার করা হচ্ছে। চাপ কমে যাওয়ার পর সুযোগ বুঝে অপেক্ষমান ট্রাকগুলোকে ঘাটে আসতে দেয়া হচ্ছে।
বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি
মাওয়ায় পদ্মার ভাঙন হ্রাস
মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি:পদ্মার পানি গত ২৪ ঘন্টায় ১৩ সেন্টিমিটার হ্রাস পেয়েছে। এতে স্রোতের তীব্রতা বেড়ে কয়েকটি এলাকায় ভাঙ্গন দেখা দিলেও নতুন করে নিম্নাঞ্চলের আর কোন এলাকা প্লাবিত হয়নি। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, পদ্মার ভাগ্যকূল পয়েন্টে পদ্মার পানি এখনো বিপদ সীমার ২ সেন্টিমিটার উপরে।
এদিকে মাওয়ায় পদ্মার ভাঙন গতকাল কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। নতুন করে তেমন কোন ভাঙন পরিলক্ষিত হয়নি। জাতীয় সংসদের হুইপ অধ্যাপিকা সাগুফতা ইয়াসমিনি এমিলি গতকাল ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। পরে তিনি লৌহজং উপজেলা থানা সংলগ্ন পদ্মার পাড়ে নদী ভাঙন রক্ষা বাঁধ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন।