ঝালকাঠিতে ননওয়েজ প্রকল্পের টাকা লোপাট

জেলায় অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির আওতায় ননওয়েজ প্রকল্পের বরাদ্দকৃত টাকা কাজ না করে লুটপাট করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অধিকাংশ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, প্রকল্প কমিটির সভাপতি (স্থানীয় মেম্বর) এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের কিছু অসাধু কর্মচারীর সহায়তায় এ দুর্নীতি ও লুটপাট করা হয়েছে। কাগজপত্রে পাইপ ও বক্স কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্প দেখানো হলেও বাস্তবে কিছুই করা হয়নি। সরেজমিনে শতভাগ কাজ সমাপ্তি দেখিয়ে বরাদ্দ অর্থ আত্মসাত্ করার একাধিক সুনির্দিষ্ট প্রমাণ মিলেছে। জেলার ৪ উপজেলায় প্রতিটি ইউনিয়নে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নকল্পে এ কর্মসূচির আওতায় চলতি বছর ২য় পর্যায় পাইপ ও বক্স কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্প দাখিল করা হয়। সদর উপজেলার নথুল্লাবাদ ইউনিয়নের হরিপাশা গ্রামে হাজী বাড়ির সামনে গিয়ে এর সত্যতা পাওয়া গেছে। এখানে ছোট একটি খালের মাঝে পাইপ কালভার্ট নির্মাণ দেখানো হয়। এর অনুকূলে বরাদ্দ ছিলো ৩২ হাজার ৫৫০ টাকা। সেখানে বাঁশের সাঁকো থাকলেও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে শতভাগ কাজ সমাপ্তি দেখিয়ে টাকা উত্তোলন করে নেয়া হয়েছে। একই ইউনিয়নের অপর প্রকল্পে আরো একটি পাইপ কালভার্টের জন্য ৩২ হাজার ৫৫০ টাকা বরাদ্দ থাকলেও প্রকল্পের সিপিসি মজিবর মেম্বর মাত্র ৩টি পাইপ দিয়ে বাকি টাকা আত্মসাত্ করেন। এ ব্যাপারে জেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এ.কে.এম মিজানুর রহমান টুকু কোন বক্তব্য দিতে রাজি না হলেও সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ কামরুজ্জামান বলেন, এ প্রকল্পের বরাদ্দ টাকা কোন ভাবেই অন্য স্থানে খরচ দেখানোর বিধান নেই। তাছাড়া কোন প্রকল্পের কাজ না করে শতভাগ বাস্তবায়ন দেখিয়ে বরাদ্দ নেয়ার কোন তথ্য আমার জানা নেই।