চার কোম্পানির অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধির কারণ খতিয়ে দেখছে বিএসইসি
প্রকাশ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২০:৫৫
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত তাল্লু স্পিনিং, মিথুন নিটিং, বঙ্গজ এবং সিভিও পেট্রোকেমিক্যালের শেয়ারের দর অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যাওয়ার কারণ অনুসন্ধান করছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বিএসইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। জানা গেছে, দর বৃদ্ধির কারণ খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটিকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন কমিশনে দাখিলের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। অর্থাত্ ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।
জানা গেছে, গত ২৭ আগস্ট বিএসইসির ৪৯০তম সভায় বিএসইসির ইনস্ট্যান্ট ওয়াচ মার্কেট সার্ভিলেন্স সিস্টেমের মাধ্যমে অস্বাভাবিক লেনদেন পরিলক্ষিত হওয়ায় এ কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সার্ভিল্যান্স বিভাগকে নির্দেশ দেয়া হয়। আর তদন্ত পরিচালনার জন্য দুই সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটির সদস্যরা হলেন বিএসইসির উপ-পরিচালক শামসুর রহমান এবং সহকারী পরিচালক রাকিবুর রহমান।
এদিকে গতকাল সোমবার দিনভর ওঠানামার পর দিনশেষে শেয়ারবাজারের সূচক কিছুটা বেড়েছে। তবে বড় মূলধনী কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দর কমেছে। আইডিএলসি’র দৈনন্দিন বাজার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, গতকাল বাজারে বড় মূলধনী কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দর আগের দিনের তুলনায় ১ দশমিক ১৮ শতাংশ কমেছে। আর ক্ষুদ্র মূলধনী কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দর বেড়েছে ১ দশমিক ৪৮ শতাংশ। এদিকে গতকাল বাজারে লেনদেন হওয়া ২৯৩টি কোম্পানির মধ্যে ৭৩টি কোম্পানির দর ৪ শতাংশেরও বেশি পরিবর্তন হয়েছে। দীর্ঘদিন পর ব্যাংকিং খাতের শেয়ারের দর আগের দিনের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে। এ খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দর বেড়েছে ২ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১৪ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ১৩৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএস-৩০ সূচক ৭ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৫২৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫২২ কোটি ৯৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৭০ কোটি টাকা কম। লেনদেনকৃত ২৯৩টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৪৩টির, কমেছে ১৩১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৯টি কোম্পানির শেয়ারের।