শাহজালাল প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

প্রযুক্তির সঙ্গে বসবাস

আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন জটিল সমস্যাকে সহজ করে তোলার কারণে বাংলাদেশসহ বিশ্বে ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা লাভ করেছে। ইতিমধ্যে তথ্য প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে স্বল্প সময়ের ব্যবধানে দেশের উচ্চ শিক্ষাঙ্গনে তার দৃঢ় অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবিত অনেক প্রযুক্তি বর্তমানে দেশের অন্যান্য অনেক সরকারী-বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় অনুসরণ করতে শুরু করেছে। এছাড়া এ বিশ্ববিদ্যালয় অনেক প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়র গণ্ডি পেরিয়ে দেশের ডিজিটাল পদ্ধতির উন্নয়নে মুখ্য ভূমিকা পালন করে চলছে। অদূর ভবিষতে এ বিশ্ববিদ্যালয় তার প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে দেশের বৃহত্তর স্বার্থে আধুনিকায়নের ক্ষেত্রে অনেক বড় অবদান রাখবে বলে আশা করা যাচ্ছে। ১৯৯১ সাল থেকে চালু হওয়া এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রথমবারের মত বাংলাদেশে সমন্বিত সম্মান কোর্স চালুর পাশাপাশি ১৯৯৬-৯৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে স্নাতক কোর্সে সেমিস্টার পদ্ধতির প্রবর্তন, ২০০৯-১০ শিক্ষাবর্ষ থেকে সর্বপ্রথম বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে মুঠোফোনে এসএমএস’র মাধ্যমে ভর্তির কার্যক্রম চালু, একমাত্র শাবিতে প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে পুরো ক্যাম্পাস জুড়ে তারবিহীন নেটওয়ার্ক ওয়াইফাই সুবিধা চালু করা, ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার মাধ্যমে পুরো ক্যাম্পাস ও আবাসিক হলগুলোকে নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে রাখা, নিজস্ব ডোমেইনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ই-মেইল সার্ভিস চালু, দেশের প্রথম ও পূর্ণাঙ্গ বাংলা সার্চ ইঞ্জিন পিপীলিকার উদ্ভাবন, ইলেকট্রনিক পেমেন্ট বা ই-পেমেন্ট সার্ভিস কার্যক্রম চালু এবং সর্বশেষ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যানবাহনের অবস্থান নির্ণয়ের ট্র্যাকিং ডিভাইস উদ্ভাবন করে তা ব্যবহার করে চলেছে।