জোকস
প্রকাশ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ১৯:৫৩
পাবলো পিকাসো তখন দারুণ জনপ্রিয় চিত্রশিল্পী। একদিন চার্লি চ্যাপলিন গেলেন পিকাসোর সঙ্গে দেখা করতে। বললেন, ‘আপনি কি করে ছবি আঁকেন, দেখতে এলাম।’
পিকাসো সাদরে অভ্যর্থনা জানিয়ে চার্লি চ্যাপলিনকে নিয়ে গেলেন তার স্টুডিওর মধ্যে। সেখানে তিনি একটা ছবি আকতে ব্যস্ত ছিলেন। চ্যাপলিন দাঁড়িয়ে আছেন আর পিকাসো নিমগ্ন হয়ে ছবি আঁকছেন। হঠাত্ তুলি থেকে খানিকটা রং ছিটকে গিয়ে পড়ল চার্লি চ্যাপলিনের সাদা জামায়। পিকাসো আঁতকে উঠে বললেন, ‘ওহ্, আমি খুবই দুঃখিত চার্লি! দাঁড়াও, আমি এক্ষুনি স্পিরিট নিয়ে এসে রঙটা মুছে দিচ্ছি।’
চ্যাপলিন একবার তার জামাটার দিকে তাকান, তারপর হাসতে হাসতে বলেন, ‘কোনো দরকার নেই, তার চেয়ে আপনি বরং আমার প্যান্টের ওপর একটা সই দিয়ে দিন।’
বিখ্যাত রম্য সাহিত্যিক মার্ক টোয়েন একবার কোথাও যাওয়ার জন্য ট্রেনে চেপে বসেছিলেন। সে সময় আমেরিকান ট্রেনগুলো খুব ধীর গতিতে চলত। লেটও করত ঘণ্টার পর ঘণ্টা। এমনকি সকাল আটটার ট্রেন বিকেল আটটায় আসবে কি না সে বিষয়েও সবাই সন্দিহান থাকতেন। এমনই একদিন মার্ক টোয়েন ট্রেনে ওঠার পর তার কামরায় উঠল এক টিকিট চেকার। মার্ক টোয়েন গম্ভীর মুখে চেকারের দিকে একটা হাফ টিকিট বাড়িয়ে দিলেন। টিকিট চেকার তো পুরো অবাক! তার প্রশ্ন, ‘কি মশাই, আপনি হাফ টিকিট কেটেছেন কেন? গোঁফ-মাথার চুল সবই তো সাদা। আপনি কি জানেন না চৌদ্দ বছরের বেশি হলে তার বেলায় আর হাফ টিকিট চলে না?’ মার্ক টোয়েনের সোজাসাপ্টা জবাব, ‘যখন ট্রেনে চড়েছিলাম তখন তো বয়স চৌদ্দই ছিল। কে জানত ট্রেন গন্তব্যে পৌঁছতে এত লেট করবে!’
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন বাছবিচারহীন সম্মানসূচক ডিগ্রি প্রদানকে নিরুত্সাহিত করতেন। তিনি এ প্রসঙ্গে একটি গল্প শোনাতেন। গল্পটি এ রকম—একদিন এক নৈশভোজে অতিসাধারণ এক ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয় হলো আমার, যিনি তিন তিনটে সম্মানসূচক ডিগ্রির অধিকারী। এ বিষয়ে খোঁজ নিতে গেলে আমার এক বন্ধু জানাল, তাকে তৃতীয় ডিগ্রিটি দেওয়া হয়েছিল কারণ তার দুটো ডিগ্রি আছে। দ্বিতীয়টি দেওয়া হয়েছিল, কারণ ইতোমধ্যেই তার একটা ডিগ্রি আছে। আর প্রথমটা দেওয়া হয়েছিল তার একটাও ডিগ্রি ছিল না বলে।