স্কুল জাতীয়করণে মানা হচ্ছে না নীতিমালা

জলঢাকা উপজেলার বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো জাতীয়করণ প্রক্রিয়ায় সরকারি নীতিমালা মানা হচ্ছে না। জাতীয়করণের নামে চলছে শিক্ষা কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের ঘুষ বাণিজ্য। আর এ ঘুষের টাকা জোগাড় করতে গিয়ে ভিটে-মাটি-গরু বিক্রি করে সর্বশ্বান্ত হচ্ছে এলাকার স্বল্প শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতিরা। বর্তমান মহাজোট সরকারের প্রধানমন্ত্রী বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে জাতীয়করণের ঘোষণার পর উপজেলাটিতে প্রথম পর্যায়ে ১১৮টি প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের আওতায় আসে। দ্বিতীয় পর্যায়ে ৭২টি প্রতিষ্ঠানে জাতীয়করণের প্রস্তাব প্রক্রিয়ায় ৩৯টি স্কুল চূড়ান্ত করেছে, রবিবার বিদ্যালয়গুলোকে উপজেলা শিক্ষা কমিটির সুপারিশক্রমে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রেরণ করা হবে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। এ জাতীয়করণ প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে চলছে ঘুষ বাণিজ্যসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ। জানা যায়, ৭২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কোথাও শিক্ষার্থী শূন্য, কোথাও বিদ্যালয়ের নামে জমি থাকলেও বাস্তবে প্রতিষ্ঠান নেই, এমনকি বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে ভুট্টার ডাটা, পাটখড়ি, গরু-ছাগল শিক্ষার্থীদের বদলে স্থান পেয়েছে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা প্রত্যুষ কুমার চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘সরকারি নীতিমালা অনুসরণ করেই আমি প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ প্রক্রিয়া চালাচ্ছি। অর্থ লেনদেনের বিষয়টি তিনি কৌশলে এড়িয়ে যান।’