নাসিরনগরে ২৪ প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন ঝুঁকিতে
নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২১:২৭
ব্রাহ্মণবাড়িয়া নাসিরনগর উপজেলার ২৪টি প্রাথমিক বিদ্যায়ের ভবন ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় কোন কোন বিদ্যালয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা হচ্ছে। এসব বিদ্যালয় দ্রুত সংস্কার করা না হলে যেকোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। জানা যায়, নাসিরনগর উপজেলায় ১৬টি সরকারি ও ৮ বেসরকারি (রেজিস্টার্ড) প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহূিত করা হয়েছে। অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় কিপাতনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বড়নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ধানতলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সিংহগ্রাম উত্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শ্রীঘর উত্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ফুলখারকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চিতনা রেজি:বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শ্যামপুর রেজি: বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বেলুয়া রেজি:বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দুর্গাপুর রেজি:বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, খাগালিয়া রেজি:বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গুটমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাইজখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কদমতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পতইর রেজি: বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শংকরাদহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভোলাউক রেজি. বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঝামারবালী রেজি:বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাছমা রেজি:বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বালিখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মকবুলপুর রেজি: বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বেনীপাড়া রেজি:বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জয়নগর (বাঘাইয়া) রেজি: বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দেওরত রেজি: বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনগুলোকে ব্যবহারের অনুপযোগী ঘোষণা করা হয়েছে। মকবুলপুর রেজি:বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমির আলী জানান, ভবনটি ব্যবহারের অনুপযোগী ঘোষণা করা হয়েছে। ভবনগুলোর ছাদ ও দেয়ালের পলেস্তরা খসে লোহার রড বেড়িয়ে গেছে। একাধিক বিদ্যালয়ের ছাদের ভিম ও দেয়াল ফাটল ধরেছে। বৃষ্টি হলে ছাদ চুইয়ে পানি পড়ছে। তাছাড়া বিদ্যালয়ে জরাজীর্ণ ভবনের ছাদের পলেস্তরা খসে পড়ায় শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে ক্লাস করতে ভয় পায়। দ্রুত ঝুঁকিপূর্ণ এসব বিদ্যালয়ের ভবনগুলো পুনঃনির্মাণের উদ্যোগ নেয়া না হলে যে কোন সময় ধসে পড়তে পারে। উপজেলা শিক্ষা অফিসার (চলতি দায়িত্ব) মো. হেমায়েতুল ফারুক ভূঞা জানান, ঝুঁকিপূর্ণ ও ব্যবহারে অনুপযোগী ২৪টি বিদ্যালয়ের তালিকা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে।