অতিরিক্ত ভিটামিন ডি
ও ক্যালসিয়াম সেবনে
কিডনি স্টোনের ঝুঁকি
প্রকাশ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২২:০৪
কিডনি পাথর বা কিডনি স্টোন চিকিত্সা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সার্জারি বা লেজারের মাধ্যমে কিডনি স্টোন ক্র্যাস করা হয়। সাধারণত কিডনি স্টোন তৈরিতে সুনির্দিষ্ট কোন কারণ না থাকলেও বিশেষজ্ঞগণ নতুন এক গবেষণা রিপোর্টে উল্লেখ করেছেন দীর্ঘদিন ধরে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি জাতীয় ওষুধ বা সাপ্লিমেন্ট সেবন করলে কিডনি স্টোন হবার ঝুঁকি থাকে। ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়াম নিয়ে গবেষণার প্রধান গবেষক ড. ক্রিস্টোফার গালাঘার মনে করেন প্রতিদিন ৮শ ইউনিট ভিটামিন ডি ও ৮শ-১২শ মিলিগ্রামের বেশি ক্যালসিয়াম সেবন করা বাঞ্ছনীয় নয়। তিনি আরো উল্লেখ করেন ইতিপূর্বেও গবেষণায় দেখা যায় যাদের ইউরিনের সঙ্গে ক্যালসিয়াম অথবা ভিটামিন ডি নির্গত হয় তাদের কিডনি স্টোনের ঝুঁকি বেশি।
ড. গালাঘারের অভিমত, যারা নিয়মিত ও দীর্ঘ দিন ধরে ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়াম সেবন করেন তাদের রক্ত ও ইউরিন পরীক্ষা করে দেখা উচিত ক্যালসিয়াম অথবা ভিটামিন ডি’র অস্তিত্ব পাওয়া যাচ্ছে কিনা। তাহলে ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়াম সেবনের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেয়া যায়। তবে অনেক চিকিত্সক প্রতি ৩ থেকে ৬ মাস পরপর ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়াম সেবনে বিরতি দিতে বলেন।
লেখক : চুলপড়া, এলার্জি, চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ।