রাজশাহীর সেফ হোম
বাক প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা
আনিসুজ্জামান, রাজশাহী অফিস
প্রকাশ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২২:৫১
রাজশাহীর বায়াস্থ সরকারি সেফহোমে বাক প্রতিবন্ধী শিশু ফুলকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সম্পন্ন হওয়া ময়না তদন্তের রিপোর্টে এ তথ্য আসার পর তত্পর হয়ে উঠেছে জেলা প্রশাসন।
জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ নগরীর শাহ্ মখদুম থানার ওসি হাফিজুর রহমানকে নিয়ে সেফহোম পরিদর্শন করেছেন। তবে শুক্রবার পর্যন্ত প্রতিবন্ধী শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহ্ মখদুম থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শহিদুল ইসলাম বলেছেন, মামলার আসামি অজ্ঞাতনামা হওয়ায় এখনো কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ১১ ফেব্রুয়ারি সকালে সেফহোমের অফিস সহকারী দিলীপ কুমার সরকার বাক প্রতিবন্ধী শিশু ফুলকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিত্সক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে শাহ্ মখদুম থানা পুলিশ সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে ভিকটিমের লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠান। ময়না তদন্ত শেষে লাশ সেফহোম কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করলে তড়িঘড়ি দাফন করা হয়। দীর্ঘ সাত মাস পর গত ১৫ সেপ্টেম্বর শিশু ফুলের ময়না তদন্তের রিপোর্ট শাহ্ মখদুম থানায় পৌঁছে। রিপোর্টে ভিকটিমকে ধর্ষণের পর হত্যার কথা উল্লেখ করা হয়। সেফহোম সংরক্ষিত জায়গা। বাইরের কারো সেখানে যাওয়ার বা খবরদারি করার সুযোগ নেই। সে কারণেই সন্দেহ করা হচ্ছে ভেতরের লোকজনই এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত। প্রসঙ্গত, এই সেফহোমটি নিয়ে নানা ধরনের অভিযোগ রয়েছে।