নবম শ্রেণির ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং
প্রকাশ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ১৯:৪৮
ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং
গাজী সাজ্জাত হোসেন
সিনিয়র শিক্ষক
বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ, ঢাকা
প্রথম অধ্যায়
প্রশ্ন ০১ ঃ নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও ঃ
বাংলাদেশ সরকার ১টি সেতু নির্মাণের জন্যে বিশ্ব ব্যাংকের সাথে ঋণচুক্তি সম্পাদনের উদ্যোগ গ্রহণ করল। কিন্তু বিশ্বব্যাংক ঋণের জন্য কঠিন শর্ত জুড়ে দেয়ায় বাংলাদেশ সরকার বিকল্প অর্থায়ানের কথা ভাবলো। সরকার নিজে এবং বেসরকারি সহায়তায় অর্থায়নের মাধ্যমে
সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নিলেন।
ক. এক মালিকানা ব্যবসায় কী ?
খ. শেয়ার ক্রয়ের মাধ্যমে কী পাওয়া যায় ? ব্যাখ্যা কর।
গ. উদ্দীপকের সেতু নির্মাণের জন্যে প্রথম কোন ধরনের অর্থায়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে ? বর্ণনা কর।
ঘ. ১টি সেতু নির্মাণে বিকল্প অর্থায়নের উদ্যোগ গ্রহণ ব্যবস্থা যুক্তিসঙ্গত কি না, বিশ্লেষণ কর।
সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর ঃ
ক. জ্ঞানমূলক
এক ব্যক্তির মালিকানায় ও তার মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে গঠিত ও পরিচালিত ব্যবসায়কে এক মালিকানা ব্যবসায় বলে।
খ. অনুধাবন:বিনিয়োগকারীকে শেয়ারের বিনিময়ে নিয়মিত লভ্যাংশ প্রদান করা হয়।
বিনিয়োগকারীকে শেয়ার কোম্পানির মালিক করা হয়। তারা কোম্পানির লভ্যাংশ প্রাপ্তির মালিকানা শেয়ার ক্রয়ের মাধ্যমে লাভ করে।
গ. প্রয়োগমূলক
সকলব্যবসায়ের ক্ষেত্রে অর্থায়ন প্রয়োজন। ব্যক্তি ও পরিবার থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় কাজেও অর্থায়নের প্রয়োজন রয়েছে।
উদ্দীপকের সেতু নির্মাণে সরকারি অর্থায়নের ব্যবস্থা বলা হয়েছে। প্রতিটি সরকারের একট অর্থ ব্যবস্থাপনা আছে। কোন কোন খাতে বার্ষিক ব্যয় কী পরিমাণ হবে এবং যে অর্থ কোন উত্স থেকে সংগ্রহ করা যাবে তা সরকারি অর্থায়নের আলোচনা করা হয়।
উদ্দীপকে বাংলাদেশ সরকার ১টি সেতু নির্মাণের জন্য বিশ্বব্যাংক থেকে অর্থায়নের পরিকল্পনা করেছিল। বিশ্বব্যাংক ঋণ প্রদানে কঠিন শর্ত দেয়ায় পরবর্তীতে সরকারি-বেসরকারি উত্স থেকে অর্থায়নের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সরকারি প্রকল্পগু বা সরকারি কাজে অর্থায়ন করাতে ১টি সেতু অর্থায়ন কে সরকারি অর্থায়ন বলা হয়।
ঘ. উচ্চতর দক্ষতা
ঋণ গ্রহণেসহজে অর্থায়নকরা গেলেও এতে অনেক ঝুঁকি আছে।
উদ্দীপকে বিশ্বব্যাংকের শর্তযুক্ত ঋণ গ্রহণের বিকল্প হিসেবে সরকারি ও বেসরকারি সহযোগিতার মাধ্যমে পদ্মা সেতু নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়াহয়। সরকারি কাজে অর্থায়ন একটি বড় প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত হয়। বিশ্বব্যাংকের শর্তমানা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং অনেক কঠিন।
বাংলাদেশের সরকার এক্ষেত্রে জনগণের নিকট থেকে অর্থায়ন করতে পারে। সরকারি খাতে অর্থ বিনিয়োগকরা ঝুঁকিমুক্ত হওয়াতে জনগণ স্বেচ্ছায় বিনিয়োগে এগিয়ে তহবিল সরকারি তহবিলের সাথে সাথে বেসরকারি তহবিল যুক্ত করতে পারলে সেতুটি নির্মাণ করা সম্ভব হবে। বাংলাদেশ সরকার প্রয়োজনীয় অর্থ বিশ্বব্যাংক থেকে ঋণ নেয়ার পরিবর্তে দেশের দেশের জনগণের কাছ থেকে সংগ্রহ করতে পারলে মূলধনের ব্যয়ের পরিমাণ কমাতে পারবে যা পরবর্তীতে জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করার সম্ভব হবে। সুতরাং বিশ্বব্যাংকের ঋণ না নিয়ে সরকারি-বেসরকারি সহায়তায় সেতুর অর্থায়ন করা অধিক যুক্তিযুক্ত বলে আমি মনে করি।
আপনার মতামত জানাতে ফোন করুন০১৭১৪৭০৫৭২৭ অথবা ই-মেইল
anushilon.ittefaq10@gmail.com