গল্প নয় সত্যি
মুখ দেখে যায় চেনা!
প্রকাশ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ১৯:৫৮
হয়তো নিপাট ভদ্রলোকই ভেবেছিলেন লোকটাকে। কিন্তু শেষ বেলায় দেখা গেল অন্য সবার ভিড়ে নেহাত ভালোমানুষ দেখতে এই লোকটাই কি না পকেটমার! আবার যাকে দেখতে আগাগোড়াই পকেটমার বলে সন্দেহ হয় সেই লোকটাকে শেষ বেলায় নেহাত সাদাসিধে এক অফিস কর্মী হিসেবে আবিষ্কার করাও নতুন কিছু নয়। আর এ কারণেই মুখ দেখে মানুষ চেনাটাকে দুষ্কর আর প্রায় অসম্ভব এক কাজ বলেই মানি আমরা। তবে আমাদের মানা না মানাতে তো আর বিজ্ঞানের গবেষণা থেমে থাকতে পারে না। আর পারে না বলেই এবার বেশ পিলে চমকানো এবং কারও কারও আঁঁতে ঘাঁ লাগার মতো একখানা তথ্য জানিয়েছেন আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু গবেষক। তাদের দাবি, যাদের মুখমণ্ডল একটু চওড়া তারা না কি অন্যের প্রতি তুলনামূলক বেশি আক্রমণাত্মক আচরণ করেন এবং কম বিশ্বস্ত হন। বিষয়টিকে এ ধরনের মুখাবয়বের মানুষরা কীভাবে নেবেন বলা মুশকিল। তবে রীতিমতো তিন তিনটি গবেষণার ফল একত্রিত করে তবেই কিন্তু এই সিদ্ধান্তে এসেছেন আচরণের ওপর মুখমণ্ডলের গঠনের প্রভাব নিয়ে কাজ করা এই গবেষকরা। যদিও একই সাথে তারা এটিও জানিয়ে দিয়েছেন যে, এ ধরনের বৈশিষ্ট্য মানুষের জন্মগত নয়। বরং এটি অনেকাংশেই তার সামাজিক বৈশিষ্ট্য এবং এ কারণে চওড়া মুখ নিয়ে জন্মানো মানুষ মাত্রই জৈবিকভাবে এমন হবেন তা ধরে নেওয়ারও কোনো কারণ নেই। মূলত প্রায় দেড় থেকে দু শ মানুষ নিয়ে পরিচালিত তিনটি গবেষণার প্রথমটিতে মানুষের মুখমণ্ডলের গঠনের সাথে তার স্বাভাবিক আচরণের সম্পর্ক নিরূপণের চেষ্টা করা হয়। আর বাকি দুটি গবেষণায় গবেষকরা বিভিন্ন মুখাবয়বের সঙ্গীদের আচরণ সম্পর্কে ব্যক্তির দৃষ্টিভঙ্গি ও ব্যক্তির আচরণ ও তার প্রতি অন্যদের প্রত্যাশা নিয়ে কাজ করেন।