রাজনৈতিক অস্থিরতার আশঙ্কায় শেয়ারবাজারের সূচক কমছে
প্রকাশ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ১৯:৪৪
সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কিছুদিন ধরে শেয়ারবাজারে সূচক ও লেনদেন বাড়ার প্রবণতায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফিরে আসতে শুরু করে। তবে গত সপ্তাহ থেকে ফের রাজনৈতিক অস্থিরতার আশঙ্কা বড় হয়ে দেখা দিয়েছে। যার প্রভাব পড়েছে শেয়ারবাজারে। ফলে টানা চারদিন ধরে শেয়ারবাজারে দরপতন হয়েছে। গতকালও বড় দরপতন হয়েছে। এসবের পেছনে রাজনৈতিক অস্থিরতার আশঙ্কাকেই দায়ী করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।
আইডিএলসির দৈনন্দিন বাজার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক অস্থিরতার আশঙ্কায় বাজারে বড় পতন হয়েছে। তবে ঈদ-উল-আযহা ও মুনাফা তুলে নেয়ার প্রবণতাও রয়েছে। এসবের ফলে স্বল্প মূলধনী কোম্পানিগুলোর দরপতন হয়েছে ১ দশমিক ৮৭ শতাংশ আর বড় মূলধনী কোম্পানির দরপতন হয়েছে ১ দশমিক ৭৬ শতাংশ। এদিকে টানা চারদিন বাজারে লেনদেনের ক্ষেত্রে শীর্ষে রয়েছে পোশাক খাত। এ খাতে গতকাল লেনদেন হয়েছে ১০৯ কোটি টাকা। যা বাজারের মোট লেনদেনের প্রায় সাড়ে ২৬ শতাংশ।
তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) আগের কার্যদিবসের তুলনায় ৬০ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৩৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএস-৩০ সূচক ২৭ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৪৮৪ পয়েন্টে নেমে এসেছে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪১৪ কোটি ৯৪ লাখ ১ হাজার টাকা। যা আগের কার্যদিবসের চেয়ে প্রায় ৭১ কোটি টাকা কম। লেনদেনকৃত ২৯১টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৭৩টির, কমেছে ১৯৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২২টি কোম্পানির শেয়ারের।
এদিকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ইনফরমেশন সার্ভিসেস নেটওয়ার্ক এবং রহিমা ফুডের শেয়ার দর অস্বাভাবিকহারে বৃদ্ধির পেছনে কোন মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। জানা গেছে, সামপ্রতিক সময়ে প্রতিষ্ঠান দু’টির শেয়ার দর অস্বাভাবিকহারে বৃদ্ধির কারণ জানতে চেয়ে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) প্রতিষ্ঠানগুলোতে নোটিস পাঠায়। এর জবাবে কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে। এর আগে গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ১৭টি কোম্পানি ডিএসইর নোটিসের জবাবে জানিয়েছে তাদের শেয়ার দর অস্বাভাবিকহারে বৃদ্ধির পেছনে কোন মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই।