মেঘনার ভাঙ্গন আতংকে হাজার হাজার মানুষ

লক্ষ্মীপুরের রামগতি ও কমলনগর উপজেলার মেঘনা নদীর তীরবর্তী ৯টি ইউনিয়নের হাজার-হাজার মানুষের মধ্যে ভাঙ্গনের আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। কখন যেন নদীতে বিলীন হয়ে যায় তাদের বাড়ি-ঘর। মেঘনা নদীর উপকূলীয় এলাকা গুলোতে জোয়ারের পানি বেড়ে যাওয়ায় ঐ সব এলাকায় ভয়াবহ নদী ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। মুহূর্তেও মধ্যে মেঘনার গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে ওই এলাকার বসতবাড়ি, ফসলি জমি, কাঁচা-পাকাসড়ক, বেড়ীবাঁধ, হাট-বাজারসহ বিস্তীর্ণ এলাকা। ভাঙ্গন প্রতিরোধে সরকারি বা বেসরকারিভাবে কোন উদ্যোগ নেয়া না হলে অচিরেই বিলীন হয়ে যাবে কমলনগর উপজেলার মতিরহাট, চৌধুরীর হাট ও লুধুয়া বাজার এবং রামগতি উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স, রামগতি পৌরভবন, রামগতি থানা কমপ্লেক্স, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল দপ্তর ভবন, গ্রামীন ব্যাংক ভবন, উপকূল সিনেমা হল, বিআরডিবি ভবন. সরকারি দুইটি খাদ্য গুদাম, আ স ম আবদুর রব সরকারি কলেজ কমপ্লেক্স, টিএন্ডটি ভবন, আলেকজান্ডার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কামিল মাদ্রাসা এবং উপজেলা সদর আলেকজান্ডার বাজারসহ বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি স্থাপনা। মেঘনা উপকূলীয় ভাঙ্গনকবলিত এলাকা ঘুরে দেখা যায়, কমলনগর উপজেলার চর কালকিনি ইউনিয়নের চর সামছুদ্দিন, মতিরহাট এলাকাসহ বাজার, সাহেবেরহাট ইউনিয়নের সাহেবেরহাট, চর ফলকন ইউনিয়নের লুধুয়া বাজার এলাকা, ঠুয়ারচর, পাতারচর, উরিরচর, আলেকজান্ডার ইউনিয়নের দক্ষিণ আলেকজান্ডার, সেবাগ্রাম, আসলপাড়া, চর আলগী ইউনিয়নের গাবতলী, দক্ষিণ আলগী, চর রমিজ ইউনিয়নের দক্ষিণ চররমিজ গ্রাম, বড়খেরি ইউনিয়নের রঘুনাথপুর, চর গাজি ইউনিয়নের বয়ারচর।