মামুনূর রশীদকে আজীবন সম্মাননা জানালো নাট্যদুয়ার
প্রকাশ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২১:১৬
নাট্যজন মামুনূর রশীদকে আজীবন সম্মননায় ভূষিত করল নাট্য সংগঠন নাট্যদুয়ার। প্রাণ চানাচুর নিবেদিত নাট্যদুয়ারের দশ বছর পূর্তি উত্সবে এই সম্মাননা জানানো হয় গত ২০ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যায়। নাট্য সংগঠন নাট্যদুয়ার তাদের দশম বর্ষপূর্তি উত্সবের আয়োজন করে পুঠিয়ার সাতবাড়িয়া স্কুল মাঠে। ‘পাড়ায় পাড়ায় থিয়েটার জন্মাক’—এই স্লোগান নিয়ে ২০০৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে যাত্রা শুরু করে একটি নতুন নাট্য সংগঠন নাট্যদুয়ার। যাত্রা শুরুর পর দশ বছর পেরিয়েছে এ বছরই। দশম বর্ষপূর্তি উত্সব জমকালোভাবে আয়োজনের ব্যবস্থা নিয়েছিল নাট্য সংগঠন নাট্যদুয়ার। যাত্রা শুরুর পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি পেরিয়ে ঢাকাসহ সারা দেশে ১০টি শাখা সংগঠনে বিস্তৃত হয়েছে এই দলটি। প্রাণ চানাচুর নিবেদিত এই উত্সবের উদ্বোধন করেন বরেণ্য নাট্যজন মামুনূর রশীদ। সারাদিনব্যাপী মেলা শেষে সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক আয়োজনে ছিল জনপ্রিয় খবর পাঠক শামসুজ্জোহার আবৃত্তি, ভারতের জি-বাংলার মীরাক্কেল জয়ী আবু হেনা রনি ও আনোয়ারুল আলম সজল, জনপ্রিয় ম্যাগাজিন ইত্যাদির নানী খ্যাত শবনম পারভীন, তোতামিয়া খ্যাত অভিনেতা রাশেদ মামুন অপু ও কচি খন্দকারের পরিবেশনায় কমেডি শো এবং বাউল শফি মণ্ডল ও ক্লোজআপ তারকা রিঙ্কুর লোকসংগীত। অনুষ্ঠানে নাট্যজন মামুনূর রশীদকে আজীবন সম্মাননা প্রদানের পাশাপাশি মীরাক্কেল জয়ী আবু হেনা রনি ও আনোয়ারুল আলম সজলকে প্রদান করা হয় বিশেষ সম্মাননা। দশ সহস্রাধিক দর্শকের উপস্থিতিতে আজীবন সম্মাননা প্রাপ্তিকে নাট্যজন মামুনূর রশীদ তার জীবনের অন্যতম সেরা সংযোজন বলে আবেগ আপ্লুত হন। সমস্ত দর্শক দাঁড়িয়ে তাকে সম্মান জানান। সম্মাননা প্রদান প্রসঙ্গে নাট্যদুয়ারের প্রতিষ্ঠাতা কর্মী নাট্যকার নির্মাতা শিমুল সরকার বলেন, ‘মামুনূর রশীদের মতো নাট্য ব্যক্তিত্বকে সম্মান জানাতে পেরে তারা সাংগঠনিকভাবে নিজেদেরকে গর্বিত মনে করছেন।’ আজীবন
সম্মাননা স্মারক মামুনূর রশীদের হাতে তুলে দেন নাট্যকার-নির্মাতা শিমুল সরকার।