পূর্নিমার জোয়ারে মনপুরার ১০টি গ্রাম প্লাবিত

মনপুরায় পূর্ণিমার জোয়ারে মেঘনায় অস্বাভাবিক পানি বৃদ্ধির ফলে তৃতীয়বারের মত ওয়াপদার প্রায় ২ কিলোমিটার ভাঙ্গা বেড়ি বাঁধ দিয়ে দক্ষিণ সাকুচিয়া, হাজির হাট ও মনপুরা ইউনিয়নের ভিতরে পানি ঢুকে ১০ গ্রামের প্রায় বিশ সহস্রাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে। পানিবন্দি থাকায় নষ্ট হচ্ছে রোপা আমন ধানের ফসল। বর্তমানে ৪টি ইউনিয়নের প্রায় পাঁচ শতাধিক পরিবার বেড়ির ঢালে রাস্তার পাশে খোলা আকাশের নীচে বসবাস করছে। ভাঙ্গা বেড়ি বাঁধ দিয়ে অহরহ জোয়ারের পানি প্রবেশ করে ঘর-বাড়ি তলিয়ে যায়। পানিবন্দি এলাকার মানুষের দেখা দিয়েছে খাদ্য ও পানির অভাব। সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, গত ২৫ জুন প্রথমবার পূর্ণিমার জোয়ারে ৪নং দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের বাতির খাল, তালতলা, সূর্যমুখীসহ প্রায় দেড় কিলোমিটার ওয়াপদার বেড়ি বাঁধ ভেঙ্গে ঐ ইউনিয়নের প্রায় সব কয়টি গ্রাম পানিতে তলিয়ে যায়। ফলে ঐ ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ছে। বেড়ি বাঁধ পুনঃনির্মাণ না করায় তৃতীয়বারের মত ঐসব এলাকার ভাঙ্গা বেড়ি বাঁধ দিয়ে পুনরায় জোয়ারের পানি ঢুকে গত শুক্রবার ৪নং দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের সব কয়টি গ্রাম পুনরায় তলিয়ে যায়। সুন্দরগঞ্জে ভাঙনগ্রস্ত তিন শতাধিক মানুষ গৃহহারা সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) সংবাদদাতা জানান, উপজেলায় নদী ভাঙ্গনকবলিত বোচাগাড়ি মৌজার ৩ শতাধিক অসহায় মানুষ খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে।জানা গেছে, কয়েকদফা তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র নদীর ভাঙ্গন ও অকাল বন্যায় কাপাসিয়া ইউনিয়নের বোচাগাড়ি মৌজাটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। ওই এলাকার শতাধিক পরিবার ভিটেমাটি হারিয়ে ঘর-বাড়ি গুটিয়ে বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ীভাবে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন যাপন করছে। আশপাশের উঁচু সরকারি খাস জমি থাকলেও তা ব্যবহার করতে পারছেন না। সরকারি খাস জমিগুলো বরাদ্দ চেয়ে ইউএনওসহ জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করেও কোন অনুমিত পাচ্ছেন না বলে বদিউজ্জামান, হামেলা বেগম, সুরুতন বেগমসহ অনেকে জানান। ইউপি চেয়ারম্যান মঞ্জু মিয়া এ মানুষগুলোর অসহায়ত্বের কথা স্বীকার করেন।