সড়ক দুর্ঘটনায় সাতজন নিহত

বিভিন্ন স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় সাতজন নিহত হয়েছে। খবর-ইত্তেফাক প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের। বরিশাল সদর উপজেলার সাহেবের হাট এলাকায় গত শনিবার শ্যালো ইঞ্জিনচালিত টমটমের চাপায় চাদনী (৪) নামের এক শিশু কন্যা নিহত হয়েছে। মেট্রোপলিটন পুলিশের বন্দর থানার এসআই এ খবর নিশ্চিত করেন। বগুড়া পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ জন নিহত ও ৪ জন আহত হয়েছে। জেলার শাজাহানপুরে সিএনজি অটোটেম্পুর মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন এবং মোকামতলার কাগইল সড়কে সিএনজির ধাক্কায় রিকশাচালক নিহত হয়েছে। নিহতরা হলেন— আনোয়ার হোসেন (২৫), দেবু বড়ুয়া (৬০), রিকশাচালক ইসমাইল হোসেন (২৮)। আহতদেরকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাগেরহাট রামপালে গতকাল রবিবার সকালে নছিমুন চাপা পড়ে আব্দুল কাদের (৬০) নামের এক ভ্যান চালক নিহত ও ভ্যানের যাত্রী সোবাহান গুরুতর আহত হন। তাকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে বাগেরহাট হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। চৌদ্দগ্রাম ও কুমিল্লা কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম ও আদর্শ সদর এলাকায় গতকাল রবিবার সকালে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ফিরোজা বেগম (৩৮) নামে একজন নিহত এবং পাঁচজন আহত হয়েছে। মিয়াবাজার হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মামুন জানান, রাস্তা পারাপারের সময় ফেনীগামী যমুনা পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসের চাপায় সে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। সে মিতল্লা গ্রামের হায়দার আলীর স্ত্রী। অপরদিকে ময়নামতি হাইওয়ে ফাঁড়ির ওসি মশিউর রহমান জানান, রবিবার সকালে মহাসড়কের আদর্শ সদর উপজেলার ঝাগুড়ঝুলি এলাকায় প্রাইভেটকার ও পিকআপভ্যানের মুখোমুখী সংঘর্ষে ৫ জন আহত হয়েছে। এদের মধ্যে ৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আহতদের কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। মিঠাপুকুর (রংপুর) মিঠাপুকুরে পিকনিকে যাওয়ার সময় স্বপ্নপুরী এলাকায় গত শনিবার বাবু (২০) নামের একজনের মৃত্যু হয়েছে। জানা যায়, বাবুসহ বন্ধুরা সকালে পিকআপযোগে পিকনিকের উদ্দেশ্যে স্বপ্নপুরী রওয়ানা হয়। চলন্ত গাড়িতে সবাই একসাথে আনন্দ-উল্লাস করতে গিয়ে ছিঁটকে পড়ে পিকআপের চাকায় পিষ্ট হয়ে বাবু নিহত হয়।