চালু হচ্ছে আরো ছয় সীমান্ত হাট

শিগগিরই চালু হচ্ছে আরো ছয়টি সীমান্ত হাট। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার চারটি হাট চালু করার বিষয়ে সম্মতি প্রদান করেছে। আর চলতি মাসেই ত্রিপুরা সীমান্তে দুইটি হাট চালু করা হবে। এই চারটি হাট চালু হলে সীমান্ত হাটের সংখ্যা হবে আটটি। বর্তমানে বাংলাদেশের সাথে মেঘালয় সীমান্ত এলাকায় দুইটি হাট চালু রয়েছে। জানা গেছে, সীমান্ত হাট খোলার ব্যাপারে ভারতের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। সম্প্রতি ঢাকায় বিজিবি- বিএসএফ ডিজি পর্যায়ে ছয় দিনব্যাপী যে সীমান্ত সম্মেলন হয়েছে তাতে সীমান্ত হাট খোলার বিষয়ে আলোচনা হয়। দুই দেশের সীমান্ত এলাকায় ৩২টি হাট চালু করতে চাইছে ভারত। ওই সন্মেলনেই পশ্চিমবঙ্গের সাথে বাংলাদেশের চার জেলার সীমান্তে চারটি হাট খোলার ব্যাপারে দুইপক্ষ একমত হয়। এ বিষয়ে বিএসএফের অতিরিক্ত ডিজি (পূর্বাঞ্চল) বংশীধর শর্মা সম্প্রতি কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকাকে জানান, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে আমরা ৩২টি সীমান্ত হাট খোলার প্রস্তাব দিয়েছিলাম। দুই সপ্তাহ আগে রাজ্যের মুখ্যসচিব জানান, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চারটি সীমান্ত হাট খোলার পক্ষে মত দিয়েছেন। রাজ্য সরকারের দিক থেকে এটি ইতিবাচক পদক্ষেপ বলে তিনি মন্তব্য করেন। ইতিমধ্যে পশ্চিমবঙ্গ সরকার সীমান্তের চারটি জেলার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের নিকট সীমান্ত হাটের জন্য জায়গার ব্যাপারে যোগাযোগ করেছে বলে জানা গেছে। বর্তমানে বাংলাদেশের সুনামগঞ্জের বালাহাট এবং ভারতের মেঘালয় রাজ্যের কলইচর সীমান্ত হাটে বিভিন্ন ধরনের ২১টি পণ্য কেনাবেচা করা হচ্ছে। এগুলো হলো: সবজি, মাছ, মুরগি, মাংস, ডিম, ফল, মশলা, গামছা, লুঙ্গি, বাঁশ, দা, কোদাল, কুড়াল, বেলচা, স্থানীয়ভাবে উত্পাদিত কাপড়, মেলামাইনের বাসন এবং ফলের রস ইত্যাদি। এদিকে আমাদের তাহিরপুর (সুনামগনজ) সংবাদদাতা জানান, জেলার তাহিরপুরে নতুন একটি সীমান্ত হাট বসানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সম্প্রতি জেলা প্রশাসক তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে চিঠি দিয়েছেন বলে জানা গেছে। সীমান্তের শাহিদাবাদে হাটটি স্থাপনের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইউএনও মোহাম্মদ ইয়ামিন খান।