পিঁয়াজ আমদানিতে ঋণের সর্বোচ্চ সুদহার ১২ শতাংশ

পিঁয়াজ আমদানির জন্য দেয়া ব্যাংক ঋণের সুদের হার সর্বোচ্চ ১২ শতাংশ বেঁধে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে ঋণ-মার্জিন অনুপাত ব্যাংকার গ্রাহক সর্ম্পকের ভিত্তিতে ন্যূনতম পর্যায়ে রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। দেশীয় বাজারে পিঁয়াজের সরবরাহ নিশ্চিত করতেই এ নির্দেশনা জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ নিয়ম কার্যকর থাকবে। গতকাল সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে ব্যাংকগুলোর শীর্ষ নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে উর্ধ্বমূল্যের কারণে পিঁয়াজের দামে অস্থিতিশীলতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এ কারণে, নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য হিসেবে বাজারে পিঁয়াজের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পিঁয়াজ আমদানি অর্থায়নে সুদ হার সর্বোচ্চ সীমা ১২ শতাংশ নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। জানা গেছে, পিঁয়াজ আমদানিকারকদের সুবিধার্থে ব্যাংক ঋণের সুদের হার এবং এলসি (ঋণপত্র) মার্জিন কমানোর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে এক চিঠির মাধ্যমে অনুরোধ জানায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। আগামী এক মাস এই পণ্য আমদানিতে সুদের হার কমিয়ে ১০ শতাংশ রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে গত রবিবার এ অনুরোধ জানানো হয়। মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশে পিঁয়াজের চাহিদা দেশীয় উত্পাদনের পাশাপাশি ভারত থেকে আমদানি করে মেটানো হয়। সমপ্রতি ভারত সরকার প্রতি টন পিঁয়াজ রফতানির সর্বনিম্ন মূল্য ৯০০ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করেছে। এর ফলে দেশীয় বাজারে পিঁয়াজের মূল্য অস্থিতিশীল হয়ে পড়েছে। পিঁয়াজ আমদানিতে ব্যাংকগুলো ১০০ শতাংশ মার্জিন এবং সুদহার ১৮ থেকে ২০ শতাংশ রাখায় আমদানিকারকরা নিরুত্সাহিত হয়ে পিঁয়াজ আমদানির জন্য ঋণপত্র খোলা কমিয়ে দিয়েছে দিয়েছে বলেও চিঠিতে জানানো হয়।