সীতাকুণ্ডে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

সীতাকুণ্ডে আবুল কালাম (৫৮) নামে এক যুবদল নেতাকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সন্ত্রাসীরা এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিত্সাধীন অবস্থায় গভীর রাতে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় তার মেয়ে আহত হয়েছে। পুলিশ ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছে।

জানা যায়, মুরাদপুর ইউনিয়নের দেলীপাড়া এলাকায় আরিফ সওদাগরের দোকানের  সামনে এলাকার সন্ত্রাসী এইচ মুরাদ, আলমগীর, জয়নাল ও সাফায়েতউল্লার নেতৃত্বে ১০/১২ জন ঐদিন সন্ধ্যায় যুবদল নেতা আবুল কালামকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রাস্তার উপর ফেলে রাখে। এসময় পিতার চিত্কার শুনে মেয়ে নিপা (২৪) বাবাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা তাকেও মারধর করে। আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিতে চাইলে সন্ত্রাসীরা তাতে বাধা দেয়। পরে পুলিশ খবর পেয়ে রাত ৯টায় আহত কালামকে উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে পাঠায়। চিকিত্সাধীন অবস্থায় আবুল কালাম গভীর রাতে মারা যান। নিহত আবুল কালাম মুরাদপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড পূর্ব মুরাদপুর গ্রামের দেলীপাড়ার বজলুর রহমানের পুত্র। তিনি উক্ত ইউনিয়ন যুবদলের সহ-সভাপতি বলে জানা গেছে। এএসআই মো. এমরান হোসেন অভিযান চালিয়ে ৯ জনকে আটক করে। এদের সকলের বাড়ি পশ্চিম মুরাদপুর এলাকায় এবং একজন মিরসরাই থেকে বেড়াতে এসে আটক হয়। উল্লেখ্য, খালের মাটি বিক্রি করাকে কেন্দ্র করে চাঁদা না দেওয়ায় হত্যার ঘটনা বলে পরিবারের দাবি।

এ ব্যাপারে এডিঃ এসপি (সীতাকুণ্ড সার্কেল) শম্পা রানি সাহা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমরা ৬ জনকে আটক  করেছি। তবে এলাকাবাসী জানায়, পুলিশ ১১ জনকে আটক করে নিয়ে যায়।