শিশু অধিকার রক্ষায় সম্মিলিতভাবে
কাজ করতে হবে :তথ্যমন্ত্রী
প্রকাশ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২১:৩৪
তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, দেশে শিশুর অধিকার নানাভাবে লঙ্ঘিত হয়। আজও অনেক শিশু শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি প্রভৃতি মৌলিক অধিকার বঞ্চিত। অনেক শিশু বাল্যবিয়ের শিকার। শিশুর অধিকার মানবাধিকার উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, এ অধিকার রক্ষায় সুশীল সমাজ, গণমাধ্যম ও সরকারকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। গতকাল নগরীর একটি হোটেলে তথ্যমন্ত্রী মীনা গণমাধ্যম সম্মাননা ২০১৩ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
এবছর ইউনিসেফ ৩৩ জন গণমাধ্যম কর্মীকে এ সম্মান প্রদান করেছে। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ইউনিসেফের শুভেচ্ছা দূত অভিনেত্রী আরিফা জামান মৌসুমী, যাদুশিল্পী জুয়েল আইচ এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশ-এর প্রধান প্যাসকেল ভিলনোভ। সম্মাননা প্রাপ্তদের ক্রেস্ট, অর্থ এবং সনদপত্র বিতরণ করা হয়।
সৃজনশীল ও সাংবাদিকতা এই দুই শ্রেণিতে, প্রিন্ট, টেলিভিশন ও রেডিও এই তিন মাধ্যমের মধ্য থেকে আঠারো বছরের নিচে ও আঠারো বছরের ওপরে এই দুই ক্যাটাগরিতে সম্মাননা দেয়া হয়। এবছর শিশু সৃজনশীল শাখায় প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রথম হয়েছে দৈনিক যুগান্তরের সুমাইয়া বরকতউল্লাহ। একই শাখায় প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে প্রথম হয়েছে কিশোর পত্রিকার রোকেয়া খাতুন। একই মাধ্যমে ১৮ বছরের নিচে সাংবাদিকতা শাখায় প্রথম হয়েছেন দৈনিক সত্য সংবাদের রাবেয়া বসরী এবং প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে প্রথম হয়েছেন দৈনিক যুগান্তরের রিতা ভৌমিক। টিভি মাধ্যমে সৃজনশীল শিশু শাখায় চ্যানেল আই-এর সাদমান করিম ও এসএ রিফায়েত দিয়ান যৌথভাবে প্রথম হন। সাংবাদিকতায় প্রথম হন ইটিভির সুস্মিতা সেন। বড়দের সৃজনশীল সম্মাননা অর্জন করেন দেশ টিভির সুমনা সিদ্দিক এবং বড়দের সাংবাদিকতায় যৌথভাবে প্রথম হন এসএটিভির আসাদ হোসেন এবং আরটিভির আতিকা রহমান। বেতার সৃজনশীল শিশু শাখায় কোন পুরস্কার দেয়া হয়নি। এই শাখায় বড়দের সৃজনশীলে প্রথম স্থান অধিকার করেন এবিসি রেডিও-এর গোলাম কিবরিয়া সরকার, সংবাদিকতায় প্রথম হন একই প্রতিষ্ঠানের শাহনাজ শারমিন।
শিশু অধিকার অর্জনে প্রিন্ট ও ইলেট্রনিক উভয় ক্ষেত্রে সৃজনশীল মাধ্যম এবং সাংবাদিকতায় বিশেষ ভূমিকা পালনের জন্য ২০০৫ সালে ইউনিসেফ সচেতনতামূলক মীনা মিডিয়া এওয়ার্ড চালু করে।