ক্যাটেকে পড়ছে বিদেশি শিক্ষার্থী
প্রকাশ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২০:৪৭
একটা সময় ছিল যখন আমাদের দেশের শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাড়ি দিত। এখন আর সেই সময় নেই। এখন বিদেশি শিক্ষার্থীরা আমাদের দেশে পড়াশোনা জন্য আসছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় সুইজারল্যান্ডের রুবিন ফ্লিক্স, জার্মানির আর্নে মালশারোউইত্স বা নরওয়ের বার্ড ওয়ালেনটিনসেনের কথা। তারা বাংলাদেশে পড়তে এসেছিল। সম্প্রতি উত্তরা কলেজ অব এভিয়েশন টেকনোলোজি (ক্যাটেক) থেকে অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের উপর র্সাটিফিকেট গ্রহণ করেন তারা। বাংলাদেশের শিক্ষার্থী সহপাঠীদের সহযোগিতায় তারা মুগ্ধ। নরওয়েজিয়ান ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির শিক্ষার্থী বার্ডের মতে, এখানকার শিক্ষার্থীরা অনেক বেশি সহযোগিতা করে থাকে, যা বাংলাদেশ সম্পর্কে তাদের ধারণাই পাল্টে দিয়েছে। রুবিন আর্নে ও বার্ডের কাছে বাংলাদেশ এখন পছন্দের জায়গায় পরিণত হয়েছে। ০১৯৩৭১৮২৪৭০, ৮৯৯১৩৭১ নম্বরে ফোন করে ক্যাটেকের পড়ালেখা এবং অন্যান্য তথ্য জেনে নিতে পারবেন।
জুরিখ ইউনিভার্সিটি অব অ্যাপ্লায়েড সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রুবিন আগে বাংলাদেশ সর্ম্পকে খুব একটা জানতেন না। ইন্টারনেটে ঘেঁটে কিছু ধারণা পেয়েছিলেন। তবে এখানে এসে সেই ধারণা বদলে যায়। রুবিন বলেন, ‘যখন জানতে পারলাম আমি পড়তে যাচ্ছি বাংলাদেশে, তখন একটু দুচিন্তাও হচ্ছিল। কিন্তু এখানে এসে আমাদের ধারণা পাল্টে গেছে। এখানকার মানুষ অত্যন্ত সহযোগীতাপূর্ণ।’ এমন দুশ্চিন্তা ছিল আর্নেরও। তার ভাষায়, ‘হ্যাঁ, আমিও বেশ দুশ্চিন্তায় ছিলাম। কারণ আমার দেশ থেকে আমি একা আসছি একটি অপরিচিত শহরে। কেমন হবে সহপাঠীরা বা কেমন সুবিধা পাব সে সম্পর্কে কোনো ধারণা ছিল না।’ তিনি বলেন, ‘এখন বেশ ভালো আছি। ক্লাস আর ল্যাব, ল্যাব আর ক্লাস। তাছাড়া এখানে উড়োজাহাজেই ব্যবহারিক ক্লাস করার সুযোগ পাচ্ছি।’
তাদের সাথে আরও কথা বলে জানা গেল, এডুকেশনাল এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ পড়তে এসেছে এই তিন শিক্ষার্থী। শুধু তাই নয়, কাজও করছেন টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে। আর সেটা করতে পেরেও খুমি তারা। নিজেদের শেখা বিষয় অন্যকে শিখিয়ে মজাও পাচ্ছেন তারা।
যোগাযোগ :বাড়ি-১৪, রোড-২, সেক্টর-১১, উত্তরা, ঢাকা।