বায়তুল মোকাররমে হেফাজতের ওপর পুলিশের চাঠিচার্জ
প্রকাশ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২২:৫৩
রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেটে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের ওপর লাঠিচার্জ করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার সকালে এই ঘটনা ঘটে। পুলিশের মতিঝিল বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মেহেদী হাসান এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, হেফাজতের ওপর লাঠিচার্জের কোনো ঘটনা ঘটেনি। তাদেরকে জমায়েত থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। হেফাজতে ইসলামের কর্মীরা জানান, তাদের পূর্বনির্ধারিত ১৩ দফা দাবি ও মুফতি ওয়াক্কেসের মুক্তি এবং একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বোরকা পরিহিত শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের প্রতিবাদে ঢাকা জেলা প্রশাসকের কাছে একটি স্মারকলিপি দেয়ার জন্য সকাল ১১টায় বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ গেটে হেফাজতে ইসলামের শতাধিক নেতা-কর্মী জমায়েত হয়। সাড়ে ১১টার দিকে নেতাকর্মীরা সেখান থেকে হেঁটে ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের দিকে যেতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। পুলিশের সঙ্গে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তারা লাঠিচার্জ করে। এতে হেফাজত কর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। পরে গুলিস্তান গোলাপ শাহ মাজারের কাছে আবারো জমায়েত হলে পুলিশ সেখানেও লাঠিচার্জ করে।
হেফাজতে ইসলামের মওলানা ওয়াসেল বলেন, বেলা ১২টায় হেফাজতে ইসলাম ঢাকা মহানগর নায়েবে আমীর মওলানা আবুল হাসানাত আমিনী, মওলানা ফজলুল করীম কাসেমী, মওলানা শফিক উদ্দীন, মওলানা হাবীবুল্লাহ মিয়াজী, মওলানা মহিউদ্দীন ইকরাম, মওলানা আলতাফ হোসাইন, মওলানা ফখরুল ইসলাম, মওলানা ফয়সাল আহমদ, মওলানা আনছারুল হক ইমরানসহ শতাধিক নেতা-কর্মী ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্মারকলিপি দেন।
এদিকে আমাদের চট্টগ্রাম অফিস জানায়, প্রস্তাবিত কওমী মাদ্রাসা শিক্ষা কর্তৃপক্ষ আইন পাস থেকে বিরত থাকতে এবং ইতিপূর্বে ঘোষিত ১৩ দফা বাস্তবায়ন করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করেছে হেফাজতে ইসলাম। গতকাল বুধবার দেশের বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে এ স্মারকলিপি প্রদান অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয় বলে হেফাজত আমীরের প্রেস সচিব মাওলানা মুনীর আহমেদ ইত্তেফাককে জানান। চট্টগ্রামে হেফাজতের কেন্দ্রীয় নেতারা হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইশরাত জাহান পান্নার মাধ্যমে স্মারকলিপি প্রদান করেন।