সাফ ব্যর্থতার রিপোর্ট কাল মিলতে পারে

বাংলাদেশ দলের কাঠমান্ডু সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ব্যর্থতার কারণ অনুসন্ধানে গঠিত কমিটি গতকাল বৃহস্পতিবার রিপোর্ট জমা দেয়নি। গতকাল এ কমিটির রিপোর্ট জমা দেয়ার কথা ছিল। জানা গেছে আগামীকাল শনিবার নাগাদ এ রিপোর্ট জমা দেয়া হতে পারে। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) গঠিত তিন সদস্যের তথ্য অনুসন্ধানী কমিটির প্রধান বাদল রায় গত কয়েক দিন ধরে রিপোর্ট তৈরিতে ব্যস্ত থাকলেও সময়ের সাথে কুলিয়ে উঠতে পারছেন না। গতকাল সকাল থেকে বাফুফে ভবনে নিজ কক্ষে রিপোর্ট তৈরি করতে ব্যস্ত ছিলেন তিনি। কিন্তু দিন শেষে বিকালে জানিয়েছেন আরো সময় লাগবে। কারণ হিসেবে তিনি জানান এতো স্বল্প সময়ের মধ্যে রিপোর্ট লিখে শেষ করা যাবে না। রিপোর্টে কী থাকতে পারে জানতে চাইলে বাদল রায় বললেন, ‘আমরা তো সবার সাথে কথা বলেছি। একটা ইঙ্গিত পেয়েছি, ফিটনেস সমস্যা ছিল খেলোয়াড়দের। লিগ শেষ করে আসা খেলোয়াড়দের ফিটনসে চাঙ্গা করতে গিয়ে চাপটা একটু বেশিই পড়েছে বলে দাবি করেছেন খেলোয়াড়রা।’ এ রিপোর্টে গুরুত্ব পাচ্ছে ফিটনেস কোচ ইয়ামালীর প্রসঙ্গটি। তিনি কিভাবে খেলোয়াড়দের ফিটনেস ট্রেনিং করিয়েছেন তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তদন্ত কমিটিও তার দিকেই আঙ্গুল তুলছে। ডাচ কোচ লুডভিক ডি ক্রুইফ যখন অনুশীলন শুরু করেছিলেন সেসময় খেলোয়াড়দের ফিটনেস নিয়ে অসন্তুষ্ট ছিলেন তিনি। ক্রুইফই বাফুফে সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিনকে রাজি করিয়ে তার দেশ থেকে ফিটনসে কোচ আনিয়ে ছিলেন। কিন্তু সাফের ব্যর্থতার কারণ খুঁজতে গিয়ে তদন্ত কমিটি জেনেছে ইয়ামালী ফিটনেস কোচ না। তিনি শুধু ফিজিও। তাহলে কিভাবে এতো বড় ফাঁকি দিয়ে ফিটনেস কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন ইয়ামালী। খেলোয়াড়দের ব্যর্থতা নিয়েও অভিযোগ উঠেছে। তারা নিজেরাও ভালো খেলার ব্যাপারে কতটা উদ্যমী ছিলেন সে ব্যাপারে প্রশ্ন থাকছে আসন্ন রিপোর্টে। কোচের ব্যাপারে বাফুফের তরফে নজর ছিল না। কোচদের দায়িত্ব দিয়ে তার কাজের উপর দৃষ্টি না থাকাটা জরুরি মনে করছেন তদন্তকারীরা। কারণ বিদেশি কোচ এখানকার অনেক কিছুই সঠিকভাবে অনুধাবন করতে পারেন না। তিনি সঠিকভাবে কাজটা করছেন কিনা তা পর্যবেক্ষণ করলে বরং সঠিক পথে এগিয়ে যাওয়া যায় বলে মনে করছে এই কমিটি।