স্টক এক্সচেঞ্জের ডিমিউচুয়ালাইজেশন চূড়ান্ত অনুমোদন

১৩ সদস্যের বোর্ড গঠনের নিয়ম রেখে স্টক এক্সচেঞ্জের মালিকানা ও ব্যবস্থাপনা পৃথকীকরণ স্কিম (ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশন) চূড়ান্ত অনুমোদন করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বৃহস্পতিবার বিএসইসির ৪৯৪তম কমিশন সভায় এ অনুমোদন দেয় বিএসইসি। দেশের উভয় শেয়ারবাজার ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই, সিএসই) প্রস্তাবিত খসড়ার ওপর সার্বিক দিক বিবেচনা করে ও শুনানি শেষে স্কিম অনুমোদন করা হয়েছে। অনুমোদিত স্কিম অনুযায়ী উভয় স্টক এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থাপনা ও মালিকানা পৃথক হবে। এতে স্টক এক্সচেঞ্জদ্বয়ের কার্যক্রমে দায়িত্বশীলতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে বলে মনে করছে বিএসইসি। বিএসইসি জানিয়েছে, অনুমোদনকৃত স্কিম অনুযায়ী ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশন পরবর্তী স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হবে ১৩জন। এর মধ্যে ৭ জন হবেন স্বাধীন পরিচালক, ৪ জন নির্বাচিত শেয়ারহোল্ডার, একজন স্ট্র্যাটেজি শেয়ারহোল্ডার ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও)। যতদিন পর্যন্ত স্ট্র্যাটেজি শেয়ারহোল্ডার নির্বাচিত না হবেন ততদিন এ পদ শূন্য থাকবে। স্কিম অনুযায়ী সিইও ভোটাধিকার পাবেন। স্টক এক্সচেঞ্জে পর্ষদের চেয়ারম্যানসহ সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য স্বতন্ত্র পরিচালক হবেন। পরিচালক, স্বতন্ত্র পরিচালক এবং সিইও-র মেয়াদ হবে ৩ বছর। এছাড়া ডিমিউচ্যুয়ালাইজড স্টক এক্সচেঞ্জে ‘চীফ রেগুলেটরি অফিসার’ এর একটি পদ থাকবে। যার তত্ত্বাবধানে স্টক এক্সচেঞ্জের রেগুলেটরি এ্যাফেয়ার্স ডিভিশন পরিচালিত হবে। এদিকে ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশনের ফলে উভয় স্টক এক্সচেঞ্জ অলাভজনক প্রতিষ্ঠান থেকে লাভজনক কোম্পানিতে রূপান্তরিত হবে। ফলে এর শেয়ারহোল্ডাররা লভ্যাংশ পাবেন। জানা গেছে, স্কিম অনুমোদনের পরিপ্রেক্ষিতে উভয় স্টক এক্সচেঞ্জকে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে বিশেষ সাধারণ সভা (এজিএম) করতে হবে। এ সভার পরবর্তী ৭ দিনের মধ্যে অনুমোদিত স্কিম রেজিস্ট্রেশন অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিতে (আরজেএসসি) জমা দিতে হবে। তার পরবর্তী ১৪ দিনের মধ্যে উভয় স্টক এক্সচেঞ্জকে আরজেএসসি রেজিস্ট্রেশন অ্যান্ড রিরেজিস্ট্রেশন প্রত্যয়নপত্র দিবে। এর ফলে স্টক এক্সচেঞ্জ পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে রূপান্তরিত হবে। আর পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করে নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠন করতে হবে।