প্রেসনোট
রামপাল বিদ্যুেকন্দ্র নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে
প্রকাশ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২২:২০
বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথভাবে বাগেরহাটের রামপালে ১৩২০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুেকন্দ্র স্থাপন করার উদ্যোগ নিয়ে কিছু ব্যক্তি/সংগঠন নানারকম অপপ্রচার চালিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে বলে গতকাল বৃহস্পতিবার এক প্রেসনোটে বলা হয়েছে।
প্রেসনোটে বলা হয়, এটি দেশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প যা জনস্বার্থে সরকার বাস্তবায়ন করছে। সুন্দরবন থেকে নিরাপদ দূরত্বে অবস্থিত অর্থাত্ ১৪ কি.মি এবং ইউনেসকো স্বীকৃত জাতীয় হেরিটেজ স্থান থেকে ৭২ কি.মি দূরে অবস্থিত। এই বিদ্যুত্ কেন্দ্রটি একটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর সুপার ক্রিটিক্যাল টেকনোলজি ও উন্নতমানের আমদানি নির্ভর কয়লা ব্যবহারের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। এতে কার্বন, সালফার, ছাই ও অন্যান্য বায়ুদূষণের পরিমাণ ন্যূনতম পর্যায়ে থাকবে যা পরিবেশের উপর কোনরূপ বিরূপ প্রভাব ফেলবে না। এ ক্ষেত্রে পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে যে কয়টি পরামর্শ দেয়া হয়েছে তা অনুসরণ করে রামপাল প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।
দারিদ্র্যপীড়িত এ এলাকায় বিদ্যুত্ কেন্দ্রটি স্থাপিত হলে অত্র এলাকার অর্থনৈতিক অবস্থার আমূল উন্নতি হবে। ফলে এই দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মান আশাতীতভাবে বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে এইসব দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সম্পদের উপরে নির্ভরশীলতা হ্রাস পাবে। ফলে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য রক্ষা পাবে। দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুত্ চাহিদা পূরণকল্পে দেশের এই প্রথম উন্নত প্রযুক্তি সমৃদ্ধ বিদ্যুত্ কেন্দ্রটি বাস্তবায়নে সচেতন দেশপ্রেমিক নাগরিকগণের সহযোগিতা কামনা করা হয়।
প্রেসনোটে বলা হয়, বর্তমানে গ্যাসের স্বল্পতা এবং গ্যাসের মজুদ ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাওয়ার ফলে বিদ্যুত্ উত্পাদনে বিকল্প জ্বালানির বিষয়টি বিবেচনা করতে হচ্ছে। সারাবিশ্বে উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশে স্বল্পখরচে উত্পাদনে বিকল্প জ্বালানি হিসেবে কয়লাকেই প্রাধান্য দেয়া হয়। সরকারের দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বাগেরহাটের রামপালে বাংলাদেশ-ভারতের যৌথ বিনিয়োগে একটি এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট উত্পাদন ক্ষমতার বিদ্যুত্ কেন্দ্র স্থাপনের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।