সফল কথা
হাল ছেড় না বন্ধু আমার
প্রকাশ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ১৯:৩০
ইয়াশনা চৌধুরী হৈমী। ২০০৬ সালে এইচএসসি পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (আইবিএ)-এর স্নাতক পর্যায়ে ভর্তি হন। পড়াশোনার পাশাপাশি মায়ের ইচ্ছায় টেলিভিশন চ্যানেল ‘চ্যানেল ওয়ান’-এ নিউজ প্রেজেন্টার হিসেবে যোগ দেন। এরপর যোগ দেন ‘এনটিভি’তে। পড়াশুনার পাশাপাশি চালিয়েছেন এই কাজ। ২০১১ সালে ‘আইবিএ-এর স্নাতক শেষ হলে নিয়মিত সংবাদ প্রেজেন্টেশনের চাকরি বহাল রেখেই হৈমী যোগদান করেন ‘এপেক্স’-এ। ‘এপেক্স’-এ এখন অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি এসটিভিতে কাজ করছেন। তিনি বলেন, ‘যে কাজ ভালো লাগে তা দুই চার ঘণ্টা কেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা করে গেলেও তাতে সময়ের টের পাওয়া যায় না। আমার কাজ আমার ভালো লাগে, কাজের পরিসরে ভালোলাগে; অবসর-অলসতা বাড়ায়। বড় কথা হলো পেশাদার কাজে সময় নিতেই হবে, নিজের খেয়াল খুশি মতো চিন্তা করলে পেশাদারিত্ব থাকে না। পৃথিবীতে যে যাই করেছেন সময় ব্যয় করেই করেছেন। কাজ বড়, সময়ের হিসাব না।’
ইয়াশনা মনে করেন, একটা চাকরি হয়ে যাওয়া মানেই সব সমীকরণ মিলে যাওয়া এমনটা চিন্তা করা উচিত নয়। আসলে চাকরিতে প্রবেশের পরই আসল দায়িত্ব শুরু হয়। সে অনুযায়ী প্রত্যেককে কাজ করতে হয়। এ কাজে যে যত পারদর্শী হবে সে তত প্রতিফল পাবে।
নারী হিসেবে কাজের পরিবেশ বলতে হৈমী বলেন, ‘গৃহ বা বাহির যেখানেই বলেন না কেন, একটা যোগ একটা বিয়োগ অর্থাত্ অনুকূল বা প্রতিকূল শব্দ এর সাথে জড়িয়ে থাকবেই। এখন আর ছেলে বা মেয়ে বলে কোনো কথা নেই কি ঘরে কি বাহিরে কিবা কর্মপরিসরে। সবাই যেমন স্বাধীন তেমনি সবাই সমান।’ তরুণদের প্রতি ইয়াশনা চৌধুরীর কথা, ‘সবার আগে নিজের পথ ঠিক করতে হবে তার পর সে পথের হাল ধরতে হবে শক্ত করে। ঝড় আসবে, বাদল আসবে, মেঘ জমবে, বৃষ্টিতে পথ পিচ্ছিল হবে- তবু হাল ছাড়া যাবে না। নিজেকে মনে রাখতে হবে আমি কোথায় যেতে চাই, আমি কোথায় যাবো। বিশেষ করে প্রত্যেককে ছাত্র অবস্থায়ই ঠিক করতে হবে সে ভবিষ্যতে কোন চূড়ায় পৌঁছবে। সে মাফিক তাকে ধীরে ধীরে এগুতে হবে। একাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি পেশাগত কাজ বা চাকরির জন্যও প্রস্তুতি নিতে হবে।’